ইসলাম ও ইখওয়ানঃ সংঘাত যেখানে

ইখওয়ান ও সমমনা দলগুলো মাসলাহাত, আধুনিকায়ন ও বাস্তবমুখী হবার নাম করে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন আক্বিদা ও মানহাজগত বিচ্যুতির স্বাভাবিকীকরন করেছে। প্রয়োজন মতো শারীয়াহর নসের বিকৃতি ও ভুল ব্যাখ্যা করেছে, আর যখন তা যথেষ্ট হয় নি তখন বিভিন্ন বুদ্ধিজাত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষন আর রেটোরিক দিয়ে যা জায়েজ করা দরকার তা জায়েজ করে নিয়েছে। যখনই তাদের এসব কার্যক্রমকে শরীয়াহর মানদণ্ডে বিচার করার চেষ্টা করা হয়েছে তারা বিভিন্ন ভাবে তা এড়িয়ে গেছে। নিজেদের কল্পিত বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষ, “হিকমাহ” আর মাসলাহাতের বুলি আওড়ে অভিযোগকারীকে বোকা, নির্বোধ, বাস্তবজ্ঞান ও কান্ডজ্ঞানহীন প্রমাণে সচেষ্ট হয়েছে।

কিন্তু বাস্তবতা হল বারবার এটাই প্রমাণিত হয়েছে যে ইখওয়ান ও তাদের সমমনা দলগুলো না ইসলাম অনুসরণ করছে আর না সঠিক ভাবে সেক্যুলার রাজনীতির ময়দানে খেলতে পারছে। বরং তারা দুই ময়দানেই ব্যর্থ হচ্ছে, যদিও তারা মনে করছে তারাই সফল, তারাই হক্বপন্থী। বাস্তবতা থেকে দু চোখ বন্ধ করে রেখে তারা মনে করছে, তারাই সবচেয়ে ভালোভাবে বাস্তবতা বুঝেছে। রাজনীতির নাম দিয়ে তারা শরীয়াহ অনেক আগেই ছেড়েছে, কিন্তু সেই রাজনীতির ময়দানেও তাদের দেখানো মতো কোন অর্জনই নেই। বরং মিশর থেকে বাংলাদেশে তারা ক্রমাগত মার খাচ্ছে। বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষতা নিয়ে গর্ব করা এই ঘরানার লোকেরা আদতে এক বুদ্ধিবৃত্তিক নর্দমায় পড়ে আছে। গড়াগড়ি খাচ্ছে। আর নর্দমার আবর্জনাকে মেশক মনে করছে।

এক অন্ধকারের সুড়ঙ্গের গভীরে এই দল্গুলোর নীতিনির্ধারকেরা ঢুকে পড়েছে এবং আরো বেশি অন্ধকারের দিকে যাচ্ছে। আর যতোই তাদের বের হয়ে আসার জন্য বলা হচ্ছে, তারা গোঁ ধরে আরো দ্রুত অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছে। আর সাথে সাথে লক্ষ লক্ষ নেতা-কর্মীকে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ দুনিয়া ও আখিরাত হারানো ছাড়া এই পথের আর কোন গন্তব্য নেই। বস্তুত ইখওয়ান ও জামাতে ইসলামির মতো দলের উচিৎ কিতাবুল্লাহর নিচের আয়াত নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করা, এবং নিজেদের কর্মপদ্ধতি ও আক্বিদার পুনঃবিশ্লেষন করা –

আর ইয়াহূদী ও নাসারারা কখনো তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না, যতক্ষণ না তুমি তাদের মিল্লাতের অনুসরণ কর। বল, ‘নিশ্চয় আল্লাহর হিদায়াতই হিদায়াত’ আর যদি তুমি তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ কর তোমার কাছে যে জ্ঞান এসেছে তার পর, তাহলে আল্লাহর বিপরীতে তোমার কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী থাকবে না। [আল বাক্বারা, ১২০]

শাইখ ডঃ তারিক আব্দুল হালিমের এ প্রবন্ধটি চিন্তাশীলদের জন্য উপকারি হবে ইনশা আল্লাহ। আর ইখওয়ানি-জামাতি চিন্তা দ্বারা প্রভাবিত কিন্তু অন্ধ অনুসরণের রোগে আক্রান্ত নন, এমন ভাইরাও আশা করি লেখা থেকে উপকৃত হবেন।

ইসলাম ও ইখওয়ানঃ সংঘাত যেখানে
শাইখ ডঃ তারিক আব্দুল হালিম Continue reading

ধর্মনিরপেক্ষতা হল শিরক

মানব রচিত আইনই জুলুমের উৎস এবং জালেমদের অভয়ারণ্য। এটা এমন এক প্রান্তর যেখানে আশঙ্কাজনকহারে বাড়তে থাকে নানান জটিলতা। নতুন করে জন্ম নেয় আরও বহু বিয়োগান্তক ঘটনা।

পড়ুন ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে শায়খ মুহাম্মাদ আল ফিজাজির ফাকাল্লাহু আসরাহ বিশ্লেষণ: ধর্মনিরপেক্ষতা হল শিরক

 

ডাউনলোড লিঙ্ক ১

ডাউনলোড লিঙ্ক ২

ডাউনলোড লিঙ্ক ৩

ইউসুফ আল কারদাবিঃ তার পরিচয় ও চিন্তাধারার পর্যালোচনা

প্রত্যেক বিচ্যুতির একটি মূল থাকে।” আর আধুনিক সময়ের মর্ডানিস্ট এবং বিশেষ করে মডারেটদের বিচ্যুতির মূল হল এ ব্যক্তি – ইউসুফ আল-কারদাবি।

মর্ডানিস্ট বলুন কিংবা মডারেট বলুন আধুনিক সময়ের ফিরকাগুলো তাত্ত্বিক ও আদর্শিক ভাবে এক ব্যক্তির কাছে কৃতজ্ঞ। কাফিরের সংজ্ঞা, আল ওয়ালা ওয়াল বারা, হুদুদ, ফ্রি-মিক্সিং, সঙ্গীত, হাদীসের মনগড়া ব্যাখ্যা, কোন শার’ই বিধানকে বর্তমান সময়ে অপ্রযোজ্য ঘোষণা করা, ব্যাঙ্কিং, জিহাদ, আক্বিদাসহ ইসলামের যেসব বিষয়ে ক্রুসেডাও ও যায়নিস্টদের অ্যালার্জি আছে তার সবগুলোর ক্ষেত্রেই মর্ডানিস্ট ও মডারেট – দু দলই একজন ব্যক্তিকে কমন রেফারেন্স পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে।

Continue reading

সংশয়ঃ শত্রুসংখ্যা মুসলিমদের দ্বিগুণ হলে তাদের মুকাবিলা বৈধ নয়।

মুফতি জামিল মাহমুদ

এদেশীয় একজন স্বঘোষিত সালাফি আলেম ‘ডক্টর সাইফুল্লাহ’ আরাকান ইস্যুতে উক্ত ফতোয়া প্রদান করেছিলেন। আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ আরও এগিয়ে গিয়ে বলেছেন “সমান সমান না হলে মুকাবিলা ইসলামে জায়েজ নয়।”
(লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ)
অথচ, বদর, উহুদ, মুতা সহ অধিকাংশ যুদ্ধই এই ফতোয়া অনুযায়ী হারাম হওয়ার কথা! (নাউজুবিল্লাহ)
মূলত, বিষয়টি হচ্ছে,

“কাফিরদের সংখ্যা মুসলিমদের দ্বিগুণ হলে যুদ্ধক্ষেত্রে থেকে পালানো বৈধ। কিন্তু যদি মুসলিমদের সংখ্যা ১২০০০ এর অধিক হয় তাহলে দ্বিগুণ হলেও পালানো বৈধ নয়।”

অথচ, এই বিষয়টিকে যুদ্ধে শামিলের শর্ত বানিয়ে ফেলা হচ্ছে! কতই না নিকৃষ্ট গোমরাহি। বিস্তারিত জানতে পড়ুনঃ

Continue reading

মানবরচিত আইন দ্বারা বিচার: ছোট কুফর না বড় কুফর?

শায়খ আবু হামজা আল মাসরি

ডাউনলোড

সংশয়ঃ মুখমন্ডল হিজাবের অংশ নয়

মাওলানা আলী হাসান তৈয়ব

বর্তমান বিশ্বে হিজাব পশ্চিমা রাজনৈতিক নেতৃত্বের মাথাব্যথার বিষয়। তারা সাংস্কৃতিক আগ্রাসন হিসেবে চিহ্নিত করে হিজাবের প্রসারকে বাধাগ্রস্থ করতে নানা কৌশল ও প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে। এর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক ও নিকোলা সারকোজি, সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জ্যাক স্ট্র, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টসহ বহু রাজনীতি ও শিক্ষাবিদসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ পেশার লোক। Continue reading

সরকারি চাকুরির হুকুম!

শায়খ আবুন নূর ফিলিস্তিনী হাফিজাহুল্লাহ

আসসালামু আলাইকুম

প্রশ্ন: ইরাকে তাগুত সরকারের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করা এবং তাতে যোগদান করার বিধান কী?

  • প্রশ্নকর্তাঃ আবু উবাইদাহ

উত্তর:

الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على خاتم الأنبياء المرسلين و على آله وصحبه ومن تبعهم بإحسان إلى يوم الدين، وبعد

প্রশ্নকারী ভাই, আল্লাহ তাআলা আমাকে আপনাকে তাঁর পছন্দ ও সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করুন। জেনে রাখা দরকার, তাগুত সরকারের অধীনে চাকুরী করা- ইরাকেই হোক বা অন্য কোনো মুসলিম দেশে, যেখানে কুফুরী বিধিবিধান অগ্রাধিারযোগ্য, যার পরিচালনার দায়িত্বও তাদের হাতে; এমতাবস্থায় বিষয়টি তিন বিধানের কোনো একটির বাইরে না।

হয়তো কুফরী হবে অথবা হারাম হবে নতুবা মাকরূহ হবে। প্রত্যেকটি বিধান তার কারণ অনুপাতে প্রযোজ্য। Continue reading

تبصير العقلاء بتلبيسات أهل التجهّم والإرجاء

تبصير العقلاء

بتلبيسات أهل التجهّم والإرجاء

وهو رد على كتاب (التحذير من فتنة التكفير)

للشيخ أبي محمد عاصم المقدسي

ডাউনলোড

 

A Decisive Refutation of the Neo-Murjia

আমাদের দেশের অনেক মুরজিয়ারা ইংল্যান্ডের মুরজিয়া প্রতিষ্ঠান Salafi Publications এর গোঁজামিল দেয়া দলীলসমূহ থেকে নিজেদের ভ্রান্ত আকিদার স্বপক্ষে প্রমাণাদি পেশ করার চেস্টা করে থাকে।

Salafi Publications মুরজিয়াদের স্বপক্ষে যত দলীল আনা সম্ভব সবই এনেছে তাই এই বইটির খন্ডন মুরজিয়াদের আকিদাগত বিচ্যুতি স্পষ্ট করার জন্য যথেষ্ট হবে ইনশা’আল্লাহ।

বইটি অনুবাদের কাজ চলছে। ইনশা’আল্লাহ শীঘ্রই আপনাদের কাছে বাংলায় আমরা তা পৌঁছে দিতে পারব।

A Decisive Refutation of the Neo-Murjia

 

Abū Huthayfah Yūsuf Al-Kanadī
Abū Sulaymān Haythem Ash-Shāmī

Download The PDF

সংশয়ঃ কুফরে লিপ্ত ব্যক্তির ব্যাখ্যার ওজরকে উপেক্ষা করা

শায়খ আবু কাতাদা আল ফিলিস্তিনি

মাদখালি-মুরজিয়াদের একটি মারাত্মক সংশয়ঃ
“সালাফরা মুতাজিলা শাসকদের তাকফির করেন নি, তাই আল্লাহ’র আইন প্রত্যাখ্যানকারীদেরকেও তাকফির করা যাবে না।”

খাওয়ারিজদের একটি মারাত্মক সংশয়ঃ
“কোনো প্রকার কুফরে আকবার পেলেই তাউইয়িল বা ব্যাখ্যার সুযোগকে অগ্রাহ্য করে ঢালাও তাকফির করতে হবে।” Continue reading

সংশয়ঃ শাসকপন্থী বিখ্যাত আলেমদের বিরোধীতা উচিৎ নয়!

শায়খ আবু কাতাদা আল ফিলিস্তিনি হাফিজাহুল্লাহ

পিডিএফ ডাউনলোড

প্রশ্নঃ

অনেক তরুণ (বিশেষত যাদের বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্রে সরকারি ও এসব শাসনপন্থ আলেমদের সাথে সম্পর্ক/আন্তরিকতা রয়েছে তারা) বলে যে তোমাদের শায়খ আবু কাতাদা এমন অনেক বিষয় অবতারণা করেন যা আমাদের দেশের ‘আহলুল হল্ল ওয়াল আক্বদ’ তথা কর্তৃত্ববান আলেমদের প্রচলনের পরিপন্থ Continue reading

“যে কাফেরকে কাফের বলেনা সে কাফের” – এই মূলনীতির বিশ্লেষণ!

আল্লামা সুলাইমান আল উলওয়ান

“কাফের কে কাফের না বললে কাফের হয়ে যাবে” এই মূলনীতির ব্যাখ্যা রয়েছে ।

এখানে ৭ টি প্রকার রয়েছেঃ Continue reading

মুরজিয়াদের অপকৌশল

আল্লামা সুলাইমান আল উলওয়ান

বর্তমানে লোকদের স্বভাব হয়েছে যে ভিন্নমত পোষনকারীদের খারেজি বলে ঘায়েল করছে। যে ব্যক্তি আমর বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকার করতে গেল ব্যাস খারিজি হয়ে গেল, যে মুরতাদদেরকে কাফের বললো সে খারেজি হয়ে গেল, বিশৃংখলা সৃষ্টিকারী বিকৃতিগ্রস্থদের যারা প্রকাশ করে দিলো খারেজি হয়ে গেল, কেউ ঈমান ভঙ্গের কারণসমূহ নিয়ে আলোচনা করেছেন তো ব্যাস খারেজি আখ্যা পেয়ে যাচ্ছেন। Continue reading

ভাস্কর্য, প্রতিমা ও স্মৃতিসৌধের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের বিধান

শায়খ সালিহ আল ফাওজান

পিডিএফ ডাউনলোড

ভাস্কর্য হলো বিশিষ্ট মূর্তি। আর স্মৃতিসৌধ (যার আরবী প্রতিশব্দ نصب) নিশানা ও পাথর। মুশরিকগণ তাদের কোনো নেতা বা সম্মানিত ব্যক্তির স্মৃতিচারণায় এসব স্মৃতিসৌধের কাছে কুরবানী করত। Continue reading

প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক জিহাদের মাঝে পার্থক্য

প্রশ্ন:

প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক জিহাদের মাঝে পার্থক্য কী?

প্রতিরক্ষামূলক জিহাদের জন্য কি ঝাণ্ডা ও ইমাম থাকা শর্ত? Continue reading

শায়খ আব্দুল হাকিম হাসসান

শায়খের সকল রচনাবলী

জন্মঃ ১৩৭৯ হিজরি, মিসর

আল্লাহ তাআলা তার উপর নেয়ামত বর্ষণ করুন, তিনি সত্তরের দশক থেকে সালাফি মানহাজের সাথে লেগে ছিলেন।

তিনি মিসরি মাশায়েখদের একটি জামাআতের কাছে ইলম অর্জন করেছিলেন। সে সময় তাঁর দরস সমূহের গুরুত্বপূর্ণ ছিল মাসায়েলে ঈমান ও ই’তেকাদ সম্পর্কিত দরসগুলো। Continue reading

শায়খ উমার আব্দুর রহমান রহঃ

শায়খের সকল রচনা, বয়ান

১৯৩৮ সালে মিশরে জন্মগ্রহন করা শায়খুল মাশায়েখ উমার আবদুল রহমান ছিলেন আমাদের সময়কার অন্যতম কিংবদন্তী।

যখন থেকে উম্মাহ আল্লাহর শরিয়াহ, এর উপর আমল করা ছেড়ে দিয়েছের উম্মাহর শত্রুরা ইসলামের বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে। উম্মাহ নানা অত্যাচার অবমাননার স্বীকার হওয়া শুরু করেছে। উম্মাহর এই ক্ষত আরো গভীর হয়েছে যখন এর সর্বোত্তম সন্তানদের এই উম্মাহ ত্যাগ করেছে। উম্মাহর এমনি এক ভুলে যাওয়া গুরাবা ছিলেন তাগুতের কাছে বন্দী সিংহ, ধৈর্যশীল শাইখ উমর আব্দুর রহমান রহঃ Continue reading

যুগের পরিবর্তনের সাথে ফতোয়ার পরিবর্তনের মানে কী?

মুফতী তাকি উসমানি (দা বা)

পশ্চিমাদের গুণমুগ্ধ আধুনিক কিছু মডারেট মুসলিম ও ইসলামী রাজনীতির দোহাই দিয়ে যত্রতত্র দীনী বিকৃতিতে লিপ্ত ভাইদের বহুল প্রচলিত একটি সংশয় নিরসনে আলোচনা করছেন মুফতি তাকি উসমানি (দা বা) Continue reading

আধুনিক মুসলিমদের একটি ভয়াবহ সংশয়ঃ “আলেমদের বিরল ও বিচ্ছিন্ন মতের অনুসরণ….”

মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ

পিডিএফ ডাউনলোড

‘যাল্লাত, শুযুযাত, নাওয়াদের’ ইত্যাদি দ্বারা বোঝানো হয়, শরীয়তের কোন সুষ্পষ্ট প্রতিষ্ঠিত বিধানের বিপরীতে, প্রায় সকল ইমামদের মতামতের চেয়ে ভিন্ন ও সাংঘর্ষিক মত প্রদান করা। যেমন, ৫ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ। কেও একজন এটাকে মুস্তাহাব বলল। মদ খাওয়া হারাম। কেও একজন, এটাকে জায়েজ বলল। এই ধরণের মতামত যদি কেও দিয়েও থাকেন, সেটা অনুসরণ করা হারাম ও নিকৃষ্ট কাজ। Continue reading

অন্ধ অনুসরণ হতে সাবধান!

শায়খ আবু মুহাম্মাদ আইমান

ডাউনলোড

কোনো দলীল ছাড়া কিংবা শরয়ী দলীলের বিরোধিতায় নিজ পিতৃপুরুষ বা পূর্বসূরীদেরকে অন্ধ অনুসরণ করা চরম ভ্রষ্টতা বৈ কিছুই নয়। আর এটাই হলো কাফেরদের গোমরাহী ও কুফুরীর অন্যতম কারণ; তা আজকের হোক কিংবা পূর্বকালের হোক। Continue reading

ওকালতি/ আইন পেশায় জড়ানোর ব্যাপারে ইসলামের বিধান!

প্রশ্ন: মুসলমানদের সাহায্য করা এবং তারা যদি তাওয়াগিতের (মিথ্যা ইলাহ) প্রশ্নের সম্মুখীন হয় তবে তাদের রক্ষা করার অজুহাতে মানবরচিত আইন দ্বারা গঠিত জাহেলী আইনব্যবস্থায় কাজ করার অনুমতি আছে কি? Continue reading

তাদেরকে ভুলে যেও না!

শায়খ ইব্রাহিম আর রুবাইশ রহঃ

পিডিএফ ডাউনলোড

যদি তুমি জুমু’আর নামাজ পড়ো, তাহলে স্মরণ করো যে, এখানে অনেক মানুষ আছে যারা এই নামায পড়তে পারছে না বছরকে বছর ধরে, তারা শুনতে পাচ্ছে আযান কিন্তু তাদের কোন রাস্তাই নেই এটার উত্তর দেয়ার।
Continue reading