দ্বীনের মৌলিক ভিত্তির ব্যাপারে অজ্ঞতার ওজর?

আসলুদ্দীনের ক্ষেত্রে উজর বিল-জাহল

শাইখ আবদুল আযীয আত-তুয়াইলী

সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ তা’আলার জন্য এবং অসংখ্য দুরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর প্রেরিত রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর।

প্রকৃতপক্ষে, দ্বীনের মৌলিক বিষয়সমূহের মাঝে ‘আল উযর বিল জাহল’ অর্থাৎ ‘অজ্ঞতার অজুহাত’ বিষয়ে মতবিরোধ এবং ভুলত্রুটি ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এবং তাদের মাঝে এমন অনেক লোক আছে যারা মনে করে, কোন অজ্ঞ (দ্বীন সম্পর্কে) ব্যক্তি যদি বড় কোন শিরক (শিরকে আকবর) করে তাহলে তার ওজর গ্রহণ করা হবে শুধুমাত্র এই কারনে যে সে নিজেকে ইসলামের সাথে সম্পর্কিত করে এবং দাবি করে সে মুসলমানদের একজন। যদিও সে আল্লাহ ব্যতিত অন্য কোন উপাস্যের ইবাদত করে, তার কাছে প্রার্থনা করে, তার নামে কুরবানি করে এবং জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এগুলো করে আসছে; তবুও তাকে মুসলমান সাব্যস্ত করা হবে যদি সে মুখ দিয়ে দাবি করে যে “আমি একজন মুসলমান”।

Continue reading

মুয়ালাত এবং তাওয়াল্লির মধ্যে সীমানা বিভাজক

[এই পর্বটি মূলত শাইখ আলি আল-খুদাইর (فك الله أسره) –এর প্রশ্নোত্তর- ‘আল-হাদ্দুল ফাসিল বায়ানুল মুয়ালাত ওয়াত-তাওয়াল্লিলুল কুফফার’ –থেকে সংগৃহীত। আর শেষে শাইখ নাসির আল ফাহাদ (فك الله أسره) –এর ‘আত-তিবইয়ান’ এবং সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয় যোগ করা হয়েছে।]

 

সম্মানিত শাইখ আলি ইবনু খুদাইর আল-খুদাইর (فك الله أسره)  -কে প্রশ্ন করা হয়েছিল:

“মুয়ালাত এবং তাওয়াল্লির মধ্যবর্তী সীমানা কোনটি? আর উভয়ের মাঝে পার্থক্য কীভাবে বুঝব?”

 

উত্তরে সম্মানিত শাইখ বলেন: “কুফফারদের সাথে তাওয়াল্লি করা হচ্ছে বড় কুফর (তথা কুফরে আকবার)[1], এবং এর মধ্যে কোনো তাফসিল নেই। আর এটি চার প্রকারের:

Continue reading

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ. এর বক্তব্য থেকে সৃষ্ট মুরজিআদের সংশয়ের নিরসন

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক। আম্মাবাদ…

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ. এর একটি বক্তব্য বর্ণিত হয়েছে, যার বিবরণ নিম্নরূপ:

“যে সমস্ত প্রকাশ্য কাজ কুফর হয়- যেমন প্রতিমাকে সিজদাহ করা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দেওয়া বা এজাতীয় কাজগুলো- (এগুলোর কুফর হবার কারণ হল) তার কারণ হল, তার মধ্যে অনিবার্যভাবে আভ্যন্তরীণ কুফরও বিদ্যমান থাকে। অন্যথায় যদি ধরে নেওয়া হয় যে, সে মূর্তির সামনে সিজদাহ করেছে, কিন্তু মনে মনে তাকে সিজদাহ করার ইচ্ছা করেনি, বরং মনে মনে আল্লাহকেই সিজদাহ করার ইচ্ছা করেছে, তাহলে এটা কুফর হবে না। Continue reading

তাগুতের কুফর সম্পর্কে সন্দেহ ও সংশয়?

তাগুতদের মধ্যে যারা নিজেদেরকে মুসলিম বলে পরিচয় দিয়ে থাকে তাদের কুফরের ব্যাপারে অনেকের অধ্যে সন্দেহ ও সংশয় কাজ করে। এ কারনেই তাগুতদের অবস্থা সাধারণ জনগোষ্ঠীর কাছে অস্পষ্ট হয়ে পড়েছে। বিশেষত এ কারনে যে, তারা ইসলামের বহু বিষয় যেমন: হজ্জ , সালাত, মসজিদ নির্মাণ, কুরআন তিলাওয়াত, সাদাকাহ বিতরণ ইত্যাদি বিষয়গুলো আদায় করে থাকে।

 

যারা তাদের কাফের ঘোষণা করে না তারা তিন শ্রেণীর হয়ে থাকে :

Continue reading

মুরজিয়া ও কুফর

শায়খ সুলাইমান আল-উলওয়ান

আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ এ ব্যপারে একমত যে কুফর হতে পারে কথার মাধ্যমে, যেমন দ্বীনের কোন বিষয়কে স্পষ্ট উপহাস (ইস্তিহযা) করা। এবং কুফর হতে পারে কোন কর্মের মাধ্যমে, যেমন কোন মূর্তি অথবা চন্দ্র-সূর্য ইত্যাদির জন্য সিজদায় অবনত হওয়া, অথবা আল্লাহ ব্যতিত অন্য কারো নামে পশু জবাই করা।

কোন ব্যক্তি থেকে কুফর এর কিছু সংঘটিত হওয়ার কুফর হবার ব্যাপারে কিতাবুল্লাহ ও সুন্নাহ থেকে প্রমাণসমূহ খুবই স্পষ্ট। এই কুফর কেবলমাত্র কোন কথা অথবা কোন কর্মের মাধ্যমে হতে পারে, এর সাথে ইচ্ছাকৃত অস্বীকার (জুহদ) অথবা হালাল করা (ইস্তিহলাল) যুক্ত হওয়া ব্যাতীতই। কথা ও কর্মের কুফরকে শুধুমাত্র ইচ্ছাকৃত অস্বীকার (জুহদ) অথবা হালাল করা (ইস্তিহলাল) এর সাথে সীমাবদ্ধ করে দেয়া সহীহ নয়। কেননা সাহাবায়ে কিরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম, তাবেয়ীন আজমাঈনগ অথবা ইমামগণের কেউ এমন বলেননি।

Continue reading

আল্লাহর শরীয়াহ পরিবর্তনকারী শাসকদের ব্যাপারে শরয়ী বিধান – শাইখ আবু কাতাদা আল-ফিলিস্তিনি

আল্লাহ  তাআলার শরিয়ত পরিবর্তনকারী শাসকদের শরয়ী’ হুকুম জানা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ওয়াজিব। এই বিষয়টাকে অপ্রাসঙ্গিক জ্ঞান করে এড়িয়ে যাবার কোন সুযোগ নাই।

কারণ, কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও মারত্মক পর্যায়ের সমস্যা এই বিধানকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। সেগুলোর অন্যতম হল, এই জাতীয় শাসকদের থেকে সম্পর্ক ছিন্ন  করা, তাদের আনুগত্যে পা না দেয়া, তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ওয়াজিব হওয়া

এই প্রত্যেকটি মাসআলাই এমন যে, এর উপর পূর্ববর্তী সকল আহলে ইলম একমত পোষণ করেছেন

Continue reading

মানবরচিত আইন দ্বারা বিচার: ছোট কুফর না বড় কুফর?

শায়খ আবু হামজা আল মাসরি

ডাউনলোড

“যে কাফেরকে কাফের বলেনা সে কাফের” – এই মূলনীতির বিশ্লেষণ!

আল্লামা সুলাইমান আল উলওয়ান

“কাফের কে কাফের না বললে কাফের হয়ে যাবে” এই মূলনীতির ব্যাখ্যা রয়েছে ।

এখানে ৭ টি প্রকার রয়েছেঃ Continue reading

মুরজিয়াদের অপকৌশল

আল্লামা সুলাইমান আল উলওয়ান

বর্তমানে লোকদের স্বভাব হয়েছে যে ভিন্নমত পোষনকারীদের খারেজি বলে ঘায়েল করছে। যে ব্যক্তি আমর বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকার করতে গেল ব্যাস খারিজি হয়ে গেল, যে মুরতাদদেরকে কাফের বললো সে খারেজি হয়ে গেল, বিশৃংখলা সৃষ্টিকারী বিকৃতিগ্রস্থদের যারা প্রকাশ করে দিলো খারেজি হয়ে গেল, কেউ ঈমান ভঙ্গের কারণসমূহ নিয়ে আলোচনা করেছেন তো ব্যাস খারেজি আখ্যা পেয়ে যাচ্ছেন। Continue reading

ভাস্কর্য, প্রতিমা ও স্মৃতিসৌধের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের বিধান

শায়খ সালিহ আল ফাওজান

পিডিএফ ডাউনলোড

ভাস্কর্য হলো বিশিষ্ট মূর্তি। আর স্মৃতিসৌধ (যার আরবী প্রতিশব্দ نصب) নিশানা ও পাথর। মুশরিকগণ তাদের কোনো নেতা বা সম্মানিত ব্যক্তির স্মৃতিচারণায় এসব স্মৃতিসৌধের কাছে কুরবানী করত। Continue reading

ইসলাম বিনষ্টকারী বিষয়সমূহ!

শায়খুল ইসলাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব রহঃ

ডাউনলোড

জেনে রাখুন, ইসলাম বিনষ্টকারী বিষয় দশটি:

Continue reading

কখনো ঝরে যেও না!

উস্তাদ তারিক মেহান্না

ডাউনলোড

(অনুবাদ কৃতজ্ঞতা- রেইন ড্রপসের সম্মানিত ভাইগণ)

মু’মিন ব্যক্তি হচ্ছে বৃক্ষের মতো; দমকা হাওয়ার সাথে সর্বদা যুদ্ধে লিপ্ত। এই প্রবল বাতাসের ঝাপটার মাঝে বেঁচে থাকতে হলে সে বৃক্ষটির কিছু গুণ থাকা চাই। যেমন, সুন্দরভাবে বেড়ে উঠতে হলে গাছটির বীজ অবশ্যই উর্বর মাটিতে বপন করতে হবে। কুরআনে ঠিক এ কথাটাই বলা আছে: Continue reading

কুফুরীর সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ

শায়খ সালিহ আল-ফাওযান

ডাউনলোড

কুফরীর সংজ্ঞা: কুফুরীর আভিধানিক অর্থ আবৃত করা ও গোপন করা।

আর শরী‘আতের পরিভাষায় ঈমানের বিপরীত অবস্থানকে কুফুরী বলা হয়। Continue reading

সৌদি প্রশাসন এবং এর প্রতি ইবনে বাজ ও ইবনে উসাইমিনের দৃষ্টিভঙ্গি!

শায়খ আসিম বিন তাহির

ডাউনলোড

প্রশ্নঃ

আসসালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহ,

প্রশ্নকর্তাঃ আমার প্রথম চিঠির উত্তর প্রদানের জন্য আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন,
১) আমি আপনাকে একটি পরামর্শ প্রদান করতে চাই, ইনশা’আল্লাহ এটা আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।
Continue reading

তাওহিদের দুই রুকন!

শায়খ আসিম বিন তাহির (হাফিজাহুল্লাহ)

 

 

ডাউনলোড

প্রত্যেকের জানা উচিত যে, আল্লাহ তাআলাই প্রতিটি বস্তু ও প্রতিটি জীবের সৃষ্টিকারী ও পালনকারী পরম সত্তা। নামাজ, যাকাত বা অন্য যেকোনো ইবাদতের পূর্বে দৃঢ়তম যে বিষয়টির জ্ঞানার্জন ও প্রয়োগের জন্য আল্লাহ তাআলা আদম সন্তানদেরকে আদেশ করেছেন তা হচ্ছে আল্লাহ তা’আলার একত্ববাদে ঈমান আনয়ন করা এবং অন্য সকল ইলাহকে (অর্থাৎ তাগুতকে) প্রত্যাখান ও অবিশ্বাস করা।

Continue reading

“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” – তাগুতকে প্রত্যাখ্যান ও ঈমান আনয়ন!

শায়খ আল আল্লামা সুলাইমান বিন নাসির আল উলওয়ান (ফাক্কাল্লাহু আসরাহ)

পিডিএফ ডাউনলোড

নিশ্চয়ই তাওহীদ আল উলুহিয়্যাহ্‌ই হচ্ছে সেই উদ্দেশ্য, যাকে সামনে রেখে নবী-রাসূলগণকে দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছে, আসমানী কিতাব নাযিল করা হয়েছে এবং জিহাদের জন্য তরবারী উন্মুক্ত হয়েছে।

এবং যার জন্য মানুষ দুটি দলে বিভক্ত হয়ে গেছে, একদল হয়েছে সন্তুষ্ট, অপরদল হয়েছে অসন্তুষ্ট।

Continue reading

‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ শুধু মুখে উচ্চারণই যথেষ্ট নয়

মূলঃ ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (রাহিমাহুল্লাহ)

পিডিএফ ডাউনলোড

[যারা মনে করে যে, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ মুখে বলাই তাওহীদের জন্য যথেষ্ট, বাস্তবে তার বিপরীত কিছু করলেও ক্ষতি নেই, তাদের উক্তি ও যুক্তির খন্ডন]

মুশরিকদের মনে আর একটা সংশয় বদ্ধমূল হয়ে আছে। তাহল এই যে, তারা বলে থাকে, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ কালেমা পাঠ করা সত্ত্বেও হযরত উসামা (রাঃ) যাকে হত্যা করেছিলেন, নবী (ﷺ) সেই হত্যাকান্ডটাকে সমর্থন করেননি।

এইরূপ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর এই হাদীসটিও তারা পেশ করে থাকে যেখানে তিনি বলেছেনঃ “আমি লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যে পর্যন্ত না তারা বলে (মুখে উচ্চারণ করে) ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’।” Continue reading

সংশয়ঃ সাহাবী হাতিব বিন আবি বালতা’আ কাফিরদের সাহায্য করেছিলেন

 

পিডিএফ ডাউনলোড

তাওয়াগিতদের কুফর ঢেকে রাখার জন্য তাদের সর্বাধিক অনুগত সেনা মুরজিয়া সালাফিদের একটি নিকৃষ্ট যুক্তি/বিদ’আতি ব্যাখ্যা হলো-
“বদরি সাহাবি হাতিব ইবনে বালতা’আ রাদিঃ মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাফিরদের সাহায্য করেছেন (নাউজুবিল্লাহ) অথচ রাসুল সাঃ উনাকে কাফির বলেন নি তাই
আমেরিকা-ইজরায়েল ও অন্যান্য কাফিরদেরকে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক উপায়ে সাহায্য করা সত্ত্বেও সৌদি ও অন্যান্য সমগোত্রীয় (মুরতাদ) শাসকগোষ্ঠী  কুফরে লিপ্ত নয়।”

সুবহান’আল্লাহ! নিজেদের মিথ্যা ইলাহ’র কুফরকে গোপন করার জন্য এসকল জ্ঞানপাপী নব্য মুরজিয়ারা সাহাবিদের গায়ে কুফরের কালিমা লেপনের ক্ষেত্রেও সংকোচবোধ করে না। Continue reading

নব্য সালাফি ও বনি ইজরায়েলিদের মধ্যকার সাদৃশ্য!

শায়খ খালিদ আল হুসাইনান

পিডিএফ ডাউনলোড

কিছু আহলে ইলমের (যেমন আমাদের দেশের সরকারি সালাফি/আহলে হাদিস ‘আলেম’গণ) আকীদার বিষয়ে এবং বিদআতি ও পথভ্রষ্ট দলসমূহের প্রতিবাদ করার বিষয়ে খুব আগ্রহ ও গুরুত্ব।

অপরদিকে তিনি দেখেন, শাসক কুফর, শিরক ও ধর্মত্যাগে লিপ্ত, কিন্তু এতে তিনি স্বীয় দ্বীন ও আকীদার ব্যাপারে গোস্বা ও গায়রত প্রকাশ করেন না। Continue reading

ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহঃ কি খারেজি আলেম!!?

ভূমিকাঃ

হাল জমানার নব্য সালাফিরা বলে থাকে, শাসকের বিরোধিতা করাই হচ্ছে খারেজিদের স্বভাব। যারাই শাসকের বিরোধিতা করে তাদেরকে সরকারি সালাফিরা ঢালাও ভাবে খারেজি বলে ফতোয়া দেয়া শুরু করেন…

হোক সে শাসক কাট্টা কাফের কিংবা মুরতাদ…
Continue reading

সৌদি সরকার সম্পর্কে শারিয়াহ’র ফয়সালা

উত্তর প্রদানে -শায়খ আবু বাসির মুস্তফা আত-তারতুসি (হাফিজাহুল্লাহ)

প্রশ্নঃ

আমি মনে করি, সৌদি সরকারের অধীনে সৌদি আরবে যা ঘটেছে এবং এখনো ঘটছে, তা আপনার মত মানুষদের কাছে গোপন নয়। যদি আপনি (আল্লাহ আপনাকে রক্ষা করুন) যুবকদের আবশ্যক করণীয়গুলোর ব্যাপারে দিক নির্দেশনা দিতেন, বিশেষকরে সরকার যেহেতু ঈমান ও জিহাদের অনুসারীদের বন্দি অথবা হত্যা করার মাধ্যমে টার্গেট করা শুরু করেছে । Continue reading

আলেমদের সাথে সৌদি সরকারের আচরণ!

পৃথিবীর সব থেকে বেশি আলেম যে দেশের জেলে বন্দী, তা হচ্ছে সৌদি আরব। কথাটা কতটুকু সত্যি এক মাত্র আল্লাহ তালা ভালো জানেন।

তবে ইসলামিক হিউম্যান রাইটস কমিশনের মতে সৌদির জেলে প্রায় ৩০,০০০ এর চেয়েও বেশি পলিটিকাল প্রিজনার আছে।

একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী তাদের জেলে প্রায় ৩৫৯ জন আলেম রয়েছেন। আসুন সেই সব আলেমদের মধ্য থেকে কয়েক জন সমন্ধে কিছু জেনে নেই-
. Continue reading

নব্য সালাফি সম্প্রদায় এবং শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (রঃ)’র মানহাজের পার্থক্য

বর্তমান যুগের মুরতাদ শাসকদের ব্যাপারে সরকারি সালাফি / আহলে হাদিস সম্প্রদায় কি শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (রঃ) এর অনুসরণ করেন?

নাকি কোন মনগড়া ইরজায়ি আক্বিদা পোষণ করেন?

চলুন, শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহ্‌হাব এর বক্তব্য জেনে আমরা যাচাই করে নেই। Continue reading

জ্ঞান অর্জনের ধারাবাহিকতা

দ্বীন ইসলামের ইলম অর্জনের ক্ষেত্রে অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ আগে শিখবো।

আগে মূলধন রক্ষা, পরে লাভ করার চেষ্টা – ইসলামের এই মূলনীতির আলোকে যদি আমরা চিন্তা করি, তাহলে দেখতে পারছিঃ

    1. A) কিছু কিছু মানুষ চিরজাহান্নামী হবে।
    2. B) কিছু কিছু মানুষ সাময়িক সময়ের জন্য জাহান্নামে যাবে।
    3. C) বাকীরা সরাসরি জান্নাতে যাবে। কেউ কেউ জান্নাতের উচ্চস্তরে যাবে, কেউবা অপেক্ষাকৃত নিম্নস্তরে।

Continue reading

রাসুল সাঃ ও নেক লোকদের কাছে দু’আ করা শিরক

সত্য দ্বীন থেকে মানুষকে দূরে হটিয়ে রাখার জন্য আল্লাহর দুশমনগণ নবী রাসূলদের (আলায়হিমুস সালাম) প্রচারিত শিক্ষার বিরুদ্ধে যে সব ওযর আপত্তি ও বক্তব্য পেশ করে থাকে তার মধ্যে একটি এইঃ Continue reading

সংসদ ও সংসদ সদস্যদের ব্যাপারে বিধান কি?

প্রশ্ন:    সংসদগুলোর ব্যাপারে বিধান কি এবং যারা এগুলোতে যারা প্রবেশ করে তাদের ব্যাপারে বিধান কি?

উত্তরঃ

সংসদগুলোর ব্যাপারে বিধান হচ্ছে এগুলোর ইসলামে অনুমতি নেই এবং এগুলো শিরক ও কুফরের জায়গা এবং আমরা এগুলোকে তাগুত হিসেবে দেখি কেননা এগুলো হচ্ছে আইন প্রণয়নের এবং আল্লাহ’র অবতীর্ণ আইন(শরীয়াহ) ব্যাতীত অন্য ভাবে আইন তৈরীর স্থান। Continue reading

নব্য মুরজিয়া!

শায়খ বকর আবু জায়েদ রহঃ এবং শায়খ আবু মুহাম্মাদ আল মাকদিসি হাফিজাহুল্লাহ

 

পূর্বের ও এখনকার সময়ের মুরজিয়াদের মধ্যকার সাদৃশ্যসমূহঃ

মুরজিয়ারা তিন ধরনেরঃ Continue reading

বেরলভী মতবাদ – ভিত্তিহীন আক্বীদা ও ভ্রান্ত ধারনা

বেরলভী মতবাদ : ভিত্তিহীন আকীদা ও ভ্রান্ত ধ্যানধারণা

মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক

পিডিএফ ডাউনলোড

 

বেরলভী[1] জামাত যাদেরকে রেজাখানী বা রেজভীও বলা হয়, যারা নিজেদেরকে সুন্নী বা আহলে সুন্নাত বলে পরিচয় দিয়ে থাকে। তাদের অনেক ভিত্তিহীন আকীদা, ভ্রান্ত ধ্যানধারণা ও মনগড়া রসম-রেওয়ায রয়েছে। খুব সংক্ষেপে তার একটি তালিকা এখানে তুলে ধরা হল।

Continue reading

একজন মুরজিয়া এবং ইরজায় আক্রান্ত ব্যক্তির মাঝে পার্থক্য !

উত্তর দিয়েছেন শায়খ আবু কাতাদা আল ফিলিস্তিনি হাফিযাহুল্লাহ

প্রশ্নকারীঃ সম্মানিত শায়খ আবু কাতাদা, আল্লাহ আপনাকে সত্যের উপর অবিচল রাখুন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ,

 আমার প্রশ্নটি এমন একটি বিষয় নিয়ে, যা নিয়ে আমি বিভ্রান্তিতে আছি এবং আমার বিশ্বাস অন্য আরো অনেকেই এই বিভ্রান্তিতে আক্রান্ত।

বিষয়টি হল একজন মুরজিয়া আর একজন ব্যক্তি যার মাঝে ইরজা রয়েছে এই দুজনের মধ্যে পার্থক্য কি? Continue reading