তাওহিদের দুই রুকন! – শায়খ আসিম বিন তাহির (হাফিজাহুল্লাহ)

তাওহিদের দুই রুকন!

শায়খ আসিম বিন তাহির (হাফিজাহুল্লাহ)

 

ডাউনলোড

প্রত্যেকের জানা উচিত যে, আল্লাহ তাআলাই প্রতিটি বস্তু ও প্রতিটি জীবের সৃষ্টিকারী ও পালনকারী পরম সত্তা। নামাজ, যাকাত বা অন্য যেকোনো ইবাদতের পূর্বে দৃঢ়তম যে বিষয়টির জ্ঞানার্জন ও প্রয়োগের জন্য আল্লাহ তাআলা আদম সন্তানদেরকে আদেশ করেছেন তা হচ্ছে আল্লাহ তা’আলার একত্ববাদে ঈমান আনয়ন করা এবং অন্য সকল ইলাহকে (অর্থাৎ তাগুতকে) প্রত্যাখান ও অবিশ্বাস করা।

আর এজন্য আল্লাহ তা’আলা জীব সৃষ্টি করেছেন, তাদের মধ্যে নবী-রাসূল(আলাহিমিস সালাম) পাঠিয়েছেন, কিতাব ও সহীফা নাযিল করেছেন এবং জিহাদ ও শাহাদাতের আদেশ দিয়েছেন। এজন্য রয়েছে পরম করুণাময়ের অনুসারীগণ ও শয়তানের অনুসারীদের মধ্যে চিরশত্রুতা, আর এজন্যই প্রতিষ্ঠিত করা হবে মুসলিম জাতি ও সঠিক খিলাফত ব্যবস্থা।

আল্লাহ তা’আলা বলেন,

وَمَاخَلَقْتُالْجِنَّوَالْإِنْسَإِلَّالِيَعْبُدُونِ
“এবং আমি মানুষ ও জ্বিন জাতিকে শুধুমাত্র আমার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছি”
(সূরা যারিয়াতঃ৫৬)

Continue reading

মক্কা কি দারুল-হারব হতে পারে?

শায়খ ইমাম হামাদ বিন আতিক (রহঃ)(১)কে তার সমসাময়িককালে একজন প্রশ্ন করেছিলো 
যে,মক্কা ও এর লোকজনের ব্যাপারে ইসলামের হুকুম কী হবে?  শায়খ উত্তরে নিচের কথাগুলো বলেছিলেন(২)-

আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন,

قَالُوا سُبْحَانَكَ لَا عِلْمَ لَنَا إِلَّا مَا عَلَّمْتَنَا ۖ إِنَّكَ أَنتَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ ﴿٣٢

তারা বলল, তুমি পবিত্র, আমরা কোন কিছুই জানি না, তবে তুমি যা আমাদেরকে শিখিয়েছ (সেগুলো ব্যতিত) নিশ্চয় তুমিই প্রকৃত জ্ঞানসম্পন্ন, হেকমতওয়ালা।(সূরা বাকারাঃ ৩২)(৩)

বর্তমানে মক্কার ব্যাপারে যে প্রশ্নটি উঠেছে সেটি হল- “মক্কা কি এখন দারুল-ইসলাম নাকি দারুল-কুফর?”

এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌র অনুগ্রহে আমি আমার মতামতটি জানাচ্ছি।

আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মানুষ সৃষ্টির পর থেকে যুগে যুগে তাদেরকে শিখানোর জন্য নবী রাসুলগণকে সত্য দ্বীন সহকারে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। প্রতিটি দ্বীন এর মূল ভিত্তি ছিল তাওহীদ। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কেও আল্লাহ্‌ তা’আলা ঐ একই তাওহীদের ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার জন্য পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন। তাওহীদের মূল শিক্ষাটি হল “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এটিকে মুখে স্বীকার করা ও কাজের মাধ্যমে বাস্তব রূপ প্রদান করা। বান্দা একমাত্র আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কারও ইবাদত করবে না। আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কারও কাছে দোয়া করবে না বা কিছু চাইবে না। এখানে যে ইবাদত বা দোয়া(৪) এর কথা বলা হচ্ছে তাকে ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়-

Continue reading

তাকফীরের ব্যাপারে কিছু প্রাথমিক দিকনির্দেশনা

প্রশ্নঃ শায়খ! আল্লাহ্‌ আপনার উপর রহম করুন। সম্প্রতি আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, কিছু তালিবুল ইলম ও সাধারণ মানুষের মাধ্যমে তাকফির আল মু’আইয়্যান (ব্যক্তি বিশেষকে কাফির বলে ঘোষণা করা) ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এই তালিকায় এমন লোকও আছেন, যারা দ্বীনের উপর অটল থাকার ক্ষেত্রে হয়তো খুবই দুর্বল অথচ তাকফির করার ক্ষেত্রে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে আপনার মতামত কী?

উত্তরঃ তাকফির করা ও এটা নিয়ে গবেষণা করা নিঃসন্দেহে অনেক বড় ও সাহসিকতার কাজ । এটি ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে আমি আপনাকে এ বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ  মূলনীতি বলে দিচ্ছি-

১ম মূলনীতিঃ একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে তাকফির বিষয়ে যারা পড়ালেখা ও গবেষণা করেন, তারা সাধারণ কোন মানুষ নন। দ্বীনের বিষয়ে যাদের সূক্ষ্ম জ্ঞান রয়েছে এবং ইসলামী ফিকহে যারা পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখেন, তারাই সাধারণত তাকফির নিয়ে কাজ করে থাকেন। বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে কি?

২য় মূলনীতিঃ একজন ব্যক্তি ইয়াক্বীনের সাথে ইসলামে প্রবেশ করে থাকে এবং ইয়াক্বীনের সাথেই সে ইসলাম থেকে বেরিয়ে যেতে পারে।

৩য় মূলনীতিঃ যে সকল কারণে একজন ব্যক্তি ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়, সেগুলো একটি অপরটি থেকে আলাদা। কিছু কিছু ঈমানভঙ্গকারী বিষয় কেবল আলেম-উলামারাই অনুধাবন করতে পারেন। কারণ এই বিষয়গুলো শুধু আলেম-উলামারাই ভালো বুঝেন। অন্যদিকে কিছু ঈমানভঙ্গকারী বিষয় রয়েছে যেগুলো সুস্পষ্ট, যেমনঃ শিরক, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ -কে অপবাদ দেওয়া। উম্মতের অধিকাংশই এই ঈমানভঙ্গকারী বিষয়গুলো সম্পর্কে জানেন। আর কিছু ঈমানভঙ্গকারী বিষয় রয়েছে, যেগুলো উম্মাহ সাধারণভাবে জানেই না। যাইহোক, প্রত্যেকের উচিত এই ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা।

যখন কোন ব্যক্তি  ‘তাকফির’-এর মূলনীতি ও ফিকহী জ্ঞান ছাড়া এই ব্যাপারে কাজ করা শুরু করে, এই বিষয় নিয়ে ব্যস্ত  হয়ে পড়ে, তখন সে অবশ্যই গুনাহের মধ্যে জড়িয়ে পড়ে। পর্যাপ্ত জ্ঞান ছাড়া এ বিষয়ে কোন কথা বলা যাবে না। পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় জ্ঞান এবং কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমা থেকে বিশুদ্ধ প্রমাণ থাকার পরেই এ বিষয়ে কথা বলা যাবে।

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-

عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أيما رجل قال لأخيه يا كافر فقد باء بها أحدهما

“কেউ যদি তার ভাইকে “হে কাফির” বলে সম্বোধন করে, অথচ সে কাফির নয়; তাহলে তা ব্যক্তির (তাকফিরকারীর) দিকে ফিরে আসবে।”(বুখারী-৫৭৫৩, মুসলিম-৬০, তিরমিজী-২৬৩৭, আবু দাউদ-৪৬৮৭)

যদি আপনি কাউকে তাকফির করেন অর্থাৎ কাফির বলেন, অথচ সে কাফির নয়, তবে তাকফির আপনার উপর ফিরে আসবে। এই কারণেই তাকফিরের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া খুব জরুরী।

অনেকেই হয়তো ইসলামী ইলমের জগতে কেবল যাত্রা শুরু করেছেন অথবা কিছু না জেনেই বা অল্প জেনে তাকফিরের ব্যাপারগুলো নিয়ে মাথা ঘামানো শুরু করেন। কোন কোন ব্যক্তিকে দেখা যায় তাকফির করতে গিয়ে অন্যান্য আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে এড়িয়ে যাচ্ছেন। এই লোকদের মধ্যে এমন মানুষও দেখা যায় যারা অজু বা নামাজের নিয়মগুলোই ঠিকভাবে জানেন না। তাদেরকে যদি আপনি তালাক বিষয়ে কোন মাসআলা জিজ্ঞাসা করেন, দেখা যাবে তিনি তা জানেন না। দ্বীনের ভিত্তিগুলো যেমন-নামাজ, অজু, তালাক এসকল বিষয়ের চাইতেও তাকফির আরও বড় ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, (কেননা তাকফিরের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত জ্ঞান ছাড়া ভুল তাকফির করলে তা ব্যক্তির নিজের উপর আপতিত হয়) অথচ এই ব্যক্তিরা এগুলোকে সমমানের মনে করে। (যেহেতু নামাজ ফরজ তাই এর সাথে সম্পর্কযুক্ত অন্যান্য বিষয়াবলী গুরুত্তের দিক থেকে এগিয়ে থাকবে। আর তাকফিরকে নামাজ,অজু ও তালাকের চাইতে গুরুত্বপূর্ণ বলা হচ্ছে এর জ্ঞানগত দিক বিবেচনা করে। কারণ তাকফিরের ব্যপারে আলোচনার ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি ও সূক্ষ্ম জ্ঞান এর প্রয়োজন হয়।) যদি আমরা তাকে জিজ্ঞাসা করি যে , ‘একজন লোক তার স্ত্রীকে তিনবার তালাক দিলে সে ক্ষেত্রে ইসলামের বিধান কী হবে?’ দেখা যাবে, সে হয়তো উত্তর জানে না। যদি সে তালাকের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মাসআলা না জানে, কীভাবে সে তাকফিরের মাসআলাগুলো জানে বলে আশা করা যায়। অথচ, তাকফির এগুলোর চাইতেও বড় ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

(উত্তর দিয়েছেন শায়খ সুলাইমান আল উলওয়ান হাফিযাহুল্লাহ)

এরদোগান – ইসলাম নাকি ধর্মনিরপেক্ষতা?

আমি জানি, আমার এই গবেষণাটি এমন সময় সামনে এসেছে, যখন মানুষের মাঝে বিচিত্রসব ধ্যান-ধারণা ছড়িয়ে আছে। কেউ ঈমান-কুফরের সাথে সম্পর্কিত ফিকহের বিধি-বিধানের গণ্ডিতে আবদ্ধ থাকে। আর কেউ কেউ শরীয়তের লাগাম থেকে মুক্ত হয়ে নিজ প্রয়োজন ও প্রবৃত্তি অনুসারে বিচার করে। আবার পরাজিত মানষিকতা ও হীনমন্যতা অনেককে সুনির্দিষ্ট বিশেষ কোন মতামত গ্রহণ করতে বাধ্য ও প্ররোচিত করে। যেমন ডুবন্ত মানুষ ভেসে যাওয়া খড়কুটো আকড়ে ধরে।

Continue reading

গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে উলামায়ে দেওবন্দ

পশ্চিমাদের বানানো গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কখনো  ইসলাম কায়েম হবে না। যেমনিভাবে কখনো পেশাবের মাধ্যমে ওযু হবে না। মোটকথা, নাপাকের মাধ্যমে যেমনিভাবে, পবিত্রতা হাসিল হবে না তেমনিভাবে, অনৈসলামিক ও পশ্চিমাদের বানানো কুফরী গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেও কখনো ইসলাম কায়েম হবে না। যখন দুনিয়ায় আল্লাহ তায়ালার দ্বীন বিজয়ী হবে তখন তা সেই একটি পদ্ধতিইে হবে যে পদ্ধতি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গ্রহণ করেছেন।

(মুফতি নিযামুদ্দিন শামযায়ী রাহিমাহুল্লাহ)

গণতন্ত্র এমন একটি স্বতন্ত্র মতাদর্শ, জীবনব্যবস্থা তথা দ্বীন যা ইসলামের সাথে মৌলিকভাবে সাংঘর্ষিক। আদর্শিক ও প্রায়োগিকভাবে গণতন্ত্র কুফর ও শিরক। গণতন্ত্রের মাধ্যমে কোনভাবেই ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব না।যদিও পরিস্থিতি বিবেচনায় ক্ষেত্রেবিশেষে তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ গণতন্ত্রকে অনুমোদন দিয়েছেন বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা করে, কিন্তু সাধারণত ঐতিহাসিকভাবে উলামায়ে দেওবন্দ গণতন্ত্রের বিরোধিতা করে এসেছেন। Continue reading

ভিসা ও আমান – শায়খ আবু মুহাম্মাদ আইমান হাফিযাহুল্লাহ

বর্তমান ভিসা কি শরয়ী আমান? মুসলিমদের দেশে ভিসা নিয়ে আসা কাফিরদের ব্যাপারে কি ধরা হবে যে তাদেরকে শরয়ী নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে? তাদের রক্ত কি হারাম বিবেচিত হবে? কাফিরদের দেশে ভিসা নিয়ে যাওয়া মুসলিমরা কি সেখানে হামলা করতে পারবেন? ৯/১১ এর মতো হামলা কি জায়েজ বলে গণ্য হবে? এই প্রশ্নগুলোসহ আরো অনেক প্রশ্নের উত্তর পাবেন শাইখ আবু মুহাম্মাদ আইমানের অন্যবদ্য এই রচনায়।

“ভিসার মাসআলাটি একটি আধুনিক মাসআলা। যার ব্যাপারে কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা বা পূর্ববর্তী ফুকাহাদের কোন বক্তব্য নেই। শুধু তাই নয়, কতিপয় সমসাময়িক ফকীহ ভিসাকে আমেরিকায় আক্রমণ পরিচালনার জন্য বাঁধা হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় বলে ফাতওয়া দিয়েছেন। যেমন শায়খ নাসির আল-ফাহদ (আল্লাহ তাকে কারামুক্ত করুন)

তাদের অনেকে আমেরিকায় ৯/১১ আক্রমণের জন্য খুশি হয়েছেন, সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং এ আক্রমণ যে পন্থায় করা হয়েছে, তা জানা সত্ত্বেও যারা এ আক্রমণ পরিচালনা করেছেন তাদের প্রশংসা করেছেন। যেমন শায়খ হামুদ বিন উকলা আশ-শুয়াইবি, শায়খ হুসাইন ওমর ইবনে মাহফুজ, শায়খ আবু মুহাম্মদ আলমাকদিসী, শায়খ আবু কাতাদা ও শায়খ আব্দুল্লাহ আর-রাশুদ।

এটি একটি মতবিরোধপূর্ণ ও গবেষণাগত মাসআলা। যিনি এতে তৃপ্তিবোধ করবেন না, তিনি তা গ্রহণ করবেন না। আর যিনি তৃপ্তিবোধ করবেন, তার জন্য তা গ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে।

ফিকহুল জিহাদে ফুকাহায়ে কেরামের এমন অনেক ইখতিলাফের উদাহরণ রয়েছে, যার ফলাফল ব্যাপক। যেমন মুশরিক ও মূর্তিপূজারীদের ব্যাপারে ইখতিলাফ, মুরতাদ নারীকে হত্যার ব্যাপারে ইখতিলাফ এবং এছাড়াও আরো বিভিন্ন মাসআলায় ইখতিলাফ।”

পিডিএফ ডাউনলোড করুন –

ডাউনলোড লিঙ্ক ১

ডাউনলোড লিঙ্ক ২

ডাউনলোড লিঙ্ক ৩

(ডাউনলোড না করেও এই লিঙ্ক থেকে পড়া যাবে )

তাহকিমুল কাওয়ানিন – আল্লামা মুহাম্মাদ ইবন ইব্রাহিম রহঃ

নব্য মুরজিয়াদের সংশয় নিরসনে আল্লাহর আইন ব্যাতীত অন্য আইন দিয়ে শাসন কুফর হবার ব্যাপারে সৌদির আরবের প্রথম গ্র্যান্ড মুফতি ও শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহহাবের নাতি আল্লামা মুহাম্মাদ ইবনু ইব্রাহিমের বিখ্যাত রচনা “তাহকিমুল কাওয়ানিন”।

“রবের বিধানের প্রতি আত্মসমর্পন ও আনুগত্য হল হল সেই এক ও অদ্বিতীয় সত্ত্বার বিধানের প্রতি আত্মসমর্পন ও আনুগত্য করা, যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন। যেমনিভাবে সৃষ্টি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সিজদাহ করতে পারে না, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করতে পারেনা, যেমনিভাবে কোন মাখলুকের ইবাদত করা হয় না – ঠিক তেমনিভাবে যিনি চির প্রশংসনীয়, সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়, দয়াময়, পরম করুনাময় তাঁর বিধান, তাঁর আইন ছাড়া অন্য কোন বিধানের প্রতি সৃষ্টি আনুগত্য, আত্মসমর্পন করতে পারে না, স্বীকৃতি দিতে পারে না, মেনে নিতে পারেনা। মানুষ এমন কোন মাখলুকের বিধান মেনে নিতে পারেনা যে অবিবেচক, যালিম, অজ্ঞ। বিভিন্ন সন্দেহ-সংশয় সুভাষ যাকে দলিত-মথিত করেছে। যার হৃদয়কে উদাসীনতা অন্ধকারাচ্ছন্ন করে নিয়েছে।

সুতরাং জ্ঞানীদের জন্য উচিত এ থেকে (আল্লাহর আইন ব্যাতীত অন্য আইনের শাসন) নিজেদের বাচিয়ে রাখা, কারন কুফরের পাশাপাশি এ তাদেরকে দাসত্বে আবদ্ধ করে এবং প্রবৃত্তির খেয়ালখুশি, স্বার্থ, ভুল আর ত্রুটির অনুযায়ী শাসিত হতে বাধ্য করে। কারণ আল্লাহ তাআলা বলেছেন,

ومَنْ لَمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللهُ فَأُولئِكَ هُمُ الكافِرون

যারা আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান দ্বারা ফয়সালা করে না তারাই কাফের”। (সূরা মায়েদা: ৪৪)

পিডিএফ ডাউনলোড লিঙ্ক –

ডাউনলোড লিঙ্ক ১

ডাইনলোড লিঙ্ক ২

ডাউনলোড লিঙ্ক ৩ 

(ডাউনলোড না করেও এই লিঙ্ক থেকে পড়া যাবে)

 

আল্লাহর পথে ৮ টি বাঁধা – শায়খ ইউসুফ আল উয়াইরি রহঃ

কোন জিনিসগুলো আল্লাহর রাস্তা থেকে মানুষকে আটকে রাখে? কীভাবে দুনিয়া মানুষকে বিভ্রান্ত করে? পড়ুন শায়খ ইউসুফ আল উয়াইরির রহঃ অনবদ্য রচনা…

 

ডাউনলোড

ডাউনলোড

আহলুল কিবলা ও তাবীলকারীরা – শায়খ আবু কাতাদা আল ফিলিস্তিনি হাফিযাহুল্লাহ

ডাউনলোড লিংক ১

ডাউনলোড লিংক ২

ডাউনলোড লিংক ৩

 

মিথ্যে গণতন্ত্র

ডাউনলোড করুন –

লিঙ্ক ১

লিঙ্ক ২

লিঙ্ক ৩

 

যদিও ইরাক আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আমেরিকা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সাথে আলোচনা করেনি, এবং সাধারন পরিষদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেনি, তবুও বাস্তবতা হল জাতিসংঘের সাধারন পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদ দুটোই আমেরিকার পরিকল্পন অনুযায়ীই ১৯৪৫ সালে স্থাপিত হয়েছিল। এ গণতন্ত্রকে ঘিরে একটি মিথ্যার পুনরাবৃত্তি করা হয় আর তা হল, মুসলিম উম্মাহ ও দেশগুলোতে গণতন্ত্রের অনুপস্থিতিই হল মুসলিম উম্মাহর তীব্র সমস্যার কারণ।

Continue reading

আত-তাওকিদ – শায়খ সুলাইমান আল উলওয়ান

তাওহিদ ও তাওহিদের সঠিক দাওয়াত নিয়ে শায়খ আল-আল্লামা সুলাইমান বিন নাসির আল-উলওয়ানের অনবদ্য একটি রচনা হল আত-তাওকিদ। সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর অর্থবোধক এ লেখাটি ইন শা আল্লাহ সকল মনযোগী পাঠকের জন্য অত্যন্ত উপকারী হবে।

 

 

ডাউনলোড লিংক ১ – http://pc.cd/IqJ

ডাউনলোড লিংক ২ – http://bit.ly/2D1dAMd

ডাউনলোড লিংক ৩ – http://bit.ly/2oNTUIL

ধর্মনিরপেক্ষতা হল শিরক

মানব রচিত আইনই জুলুমের উৎস এবং জালেমদের অভয়ারণ্য। এটা এমন এক প্রান্তর যেখানে আশঙ্কাজনকহারে বাড়তে থাকে নানান জটিলতা। নতুন করে জন্ম নেয় আরও বহু বিয়োগান্তক ঘটনা।

পড়ুন ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে শায়খ মুহাম্মাদ আল ফিজাজির ফাকাল্লাহু আসরাহ বিশ্লেষণ: ধর্মনিরপেক্ষতা হল শিরক

 

ডাউনলোড লিঙ্ক ১

ডাউনলোড লিঙ্ক ২

ডাউনলোড লিঙ্ক ৩

ইউসুফ আল কারদাবিঃ তার পরিচয় ও চিন্তাধারার পর্যালোচনা

প্রত্যেক বিচ্যুতির একটি মূল থাকে।” আর আধুনিক সময়ের মর্ডানিস্ট এবং বিশেষ করে মডারেটদের বিচ্যুতির মূল হল এ ব্যক্তি – ইউসুফ আল-কারদাবি।

মর্ডানিস্ট বলুন কিংবা মডারেট বলুন আধুনিক সময়ের ফিরকাগুলো তাত্ত্বিক ও আদর্শিক ভাবে এক ব্যক্তির কাছে কৃতজ্ঞ। কাফিরের সংজ্ঞা, আল ওয়ালা ওয়াল বারা, হুদুদ, ফ্রি-মিক্সিং, সঙ্গীত, হাদীসের মনগড়া ব্যাখ্যা, কোন শার’ই বিধানকে বর্তমান সময়ে অপ্রযোজ্য ঘোষণা করা, ব্যাঙ্কিং, জিহাদ, আক্বিদাসহ ইসলামের যেসব বিষয়ে ক্রুসেডাও ও যায়নিস্টদের অ্যালার্জি আছে তার সবগুলোর ক্ষেত্রেই মর্ডানিস্ট ও মডারেট – দু দলই একজন ব্যক্তিকে কমন রেফারেন্স পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে।

Continue reading

মানবরচিত আইন দ্বারা বিচার: ছোট কুফর না বড় কুফর?

শায়খ আবু হামজা আল মাসরি

ডাউনলোড

تبصير العقلاء بتلبيسات أهل التجهّم والإرجاء

تبصير العقلاء

بتلبيسات أهل التجهّم والإرجاء

وهو رد على كتاب (التحذير من فتنة التكفير)

للشيخ أبي محمد عاصم المقدسي

ডাউনলোড

 

A Decisive Refutation of the Neo-Murjia

আমাদের দেশের অনেক মুরজিয়ারা ইংল্যান্ডের মুরজিয়া প্রতিষ্ঠান Salafi Publications এর গোঁজামিল দেয়া দলীলসমূহ থেকে নিজেদের ভ্রান্ত আকিদার স্বপক্ষে প্রমাণাদি পেশ করার চেস্টা করে থাকে।

Salafi Publications মুরজিয়াদের স্বপক্ষে যত দলীল আনা সম্ভব সবই এনেছে তাই এই বইটির খন্ডন মুরজিয়াদের আকিদাগত বিচ্যুতি স্পষ্ট করার জন্য যথেষ্ট হবে ইনশা’আল্লাহ।

বইটি অনুবাদের কাজ চলছে। ইনশা’আল্লাহ শীঘ্রই আপনাদের কাছে বাংলায় আমরা তা পৌঁছে দিতে পারব।

A Decisive Refutation of the Neo-Murjia

 

Abū Huthayfah Yūsuf Al-Kanadī
Abū Sulaymān Haythem Ash-Shāmī

Download The PDF

অন্ধ অনুসরণ হতে সাবধান!

শায়খ আবু মুহাম্মাদ আইমান

ডাউনলোড

কোনো দলীল ছাড়া কিংবা শরয়ী দলীলের বিরোধিতায় নিজ পিতৃপুরুষ বা পূর্বসূরীদেরকে অন্ধ অনুসরণ করা চরম ভ্রষ্টতা বৈ কিছুই নয়। আর এটাই হলো কাফেরদের গোমরাহী ও কুফুরীর অন্যতম কারণ; তা আজকের হোক কিংবা পূর্বকালের হোক। Continue reading

কালিমাতুশ শাহাদাহ!

ভাই গাজি মুহাম্মাদ তানজিল

ডাউনলোড

কালিমা সম্পর্কে বর্তমানে অধিকাংশ লোকের অবস্থা অত্যন্ত দুঃখজনক। অধিকাংশ মানুষ এ ‘কালিমাতুশ শাহাদাহ’ বা সাক্ষ্যদানের বাক্য সম্পর্কে অজ্ঞ। একমাত্র আল্লাহ যার প্রতি করুণা করেছেন, আর শিরক থেকে রক্ষা করেছেন, সে ব্যক্তি ছাড়া বাকি সবাই তাদের অজান্তেই শিরক নামক মহামারিতে আক্রান্ত হচ্ছে। অধিকাংশ লোকের অবস্থা হচ্ছে তারা জানে না এ কালিমার অর্থ কী, কী এর গুরুত্ব ও মর্যাদা। Continue reading

ইসলাম বিনষ্টকারী বিষয়সমূহ!

শায়খুল ইসলাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব রহঃ

ডাউনলোড

জেনে রাখুন, ইসলাম বিনষ্টকারী বিষয় দশটি:

Continue reading

শুকনো খেজুর দিয়ে তৈরি গণতন্ত্রের মূর্তি!

শায়খ আবু মুহাম্মাদ আইমান

ইখওয়ানুল মুসলিমিনের পরিণতি থেকে শিক্ষা

ডাউনলোড

বর্তমান মুসলিমপ্রধাণ রাস্ট্রগুলো দারুল হারব কেন?

ফকিহুন নফস রশিদ আহমাদ গাঙ্গুহি রহঃ

মুফতি আব্দুল ওয়াহহাব রহঃ

ডাউনলোড

অনুবাদকের কথাঃ

দারুল ইসলাম ও দারুল হরবের মাসআলা ইসলামী শরীয়তের একটি বুনিয়াদী মাসআলা যার উপর আরোও অসংখ্য মাসআলার ভিত্তি। ফিকহ তথা ইসলামী আইন শাস্ত্রের প্রায় সকল কিতাবে এর আলোচনা রয়েছে এবং এর উপর ভিত্তি করে অসংখ্য অগণিত মাসআলা বর্ণিত হয়েছে। Continue reading

ইবাদাতের ব্যাপারে উপদেশ

শায়খ আসিম বিন তাহির

ডাউনলোড

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রঃ) এর কিতাব “আলওয়াবিল আসসাইয়্যিব” এবং “ইগাসাত আললাহফান” এর কিছু বক্তব্যের ব্যাখ্যা স্বরূপ রচিত

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ তাআলার জন্য এবং সালাম ও সালাত বর্ষিত হোক রাসূলুল্লাহ, তাঁর পরিবার ও তাঁর সাহাবীগণের প্রতি এবং যারা তাঁদেরকে বন্ধু হিসেবে নিয়েছেন তাদের প্রতি। Continue reading

আবু মুয়াজের তাওবা!

শায়খ আসিম বিন তাহির

ডাউনলোড

ঘটনার শুরুটা এভাবেঃ

দুই ডাকাতের দৃষ্টি তাদের শিকারের দিকে। তারা অন্যান্য বাড়িগুলোর থেকে তাদের দৃষ্টিতে অপেক্ষাকৃত সুন্দর একটি বাড়ি বেছে নিয়ে তার দিকে অগ্রসর হল। Continue reading

কীভাবে বসে থাকা সম্ভব?

ডাউনলোডঃ লিঙ্ক ১ | লিঙ্ক ২

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যই। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছে ক্ষমা চাই। আমরা নিজেদের নফস হতে এবং আমাদের কর্মের খারাপ ফলাফল হতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই।

যাকে আল্লাহ পথ দেখান তাকে কেউ পথচ্যূত করতে পারে না, এবং যাকে আল্লাহ পথচ্যূত করেন তাকে কেউ পথ দেখাতে পারে না। Continue reading

আন্তরিক তাওবা!

আন্তরিক তাওবা

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহঃ |  ইমাম ইবনে রজব রহঃ | ইমাম গাজ্জালি রহঃ

ডাউনলোড => লিঙ্ক ১ | লিঙ্ক ২