মক্কা কি দারুল-হারব হতে পারে?

শায়খ ইমাম হামাদ বিন আতিক (রহঃ)(১)কে তার সমসাময়িককালে একজন প্রশ্ন করেছিলো 
যে,মক্কা ও এর লোকজনের ব্যাপারে ইসলামের হুকুম কী হবে?  শায়খ উত্তরে নিচের কথাগুলো বলেছিলেন(২)-

আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন,

قَالُوا سُبْحَانَكَ لَا عِلْمَ لَنَا إِلَّا مَا عَلَّمْتَنَا ۖ إِنَّكَ أَنتَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ ﴿٣٢

তারা বলল, তুমি পবিত্র, আমরা কোন কিছুই জানি না, তবে তুমি যা আমাদেরকে শিখিয়েছ (সেগুলো ব্যতিত) নিশ্চয় তুমিই প্রকৃত জ্ঞানসম্পন্ন, হেকমতওয়ালা।(সূরা বাকারাঃ ৩২)(৩)

বর্তমানে মক্কার ব্যাপারে যে প্রশ্নটি উঠেছে সেটি হল- “মক্কা কি এখন দারুল-ইসলাম নাকি দারুল-কুফর?”

এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌র অনুগ্রহে আমি আমার মতামতটি জানাচ্ছি।

আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মানুষ সৃষ্টির পর থেকে যুগে যুগে তাদেরকে শিখানোর জন্য নবী রাসুলগণকে সত্য দ্বীন সহকারে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। প্রতিটি দ্বীন এর মূল ভিত্তি ছিল তাওহীদ। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কেও আল্লাহ্‌ তা’আলা ঐ একই তাওহীদের ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার জন্য পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন। তাওহীদের মূল শিক্ষাটি হল “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এটিকে মুখে স্বীকার করা ও কাজের মাধ্যমে বাস্তব রূপ প্রদান করা। বান্দা একমাত্র আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কারও ইবাদত করবে না। আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কারও কাছে দোয়া করবে না বা কিছু চাইবে না। এখানে যে ইবাদত বা দোয়া(৪) এর কথা বলা হচ্ছে তাকে ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়-

Continue reading