মুরজিয়া ও কুফর

শায়খ সুলাইমান আল-উলওয়ান

আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ এ ব্যপারে একমত যে কুফর হতে পারে কথার মাধ্যমে, যেমন দ্বীনের কোন বিষয়কে স্পষ্ট উপহাস (ইস্তিহযা) করা। এবং কুফর হতে পারে কোন কর্মের মাধ্যমে, যেমন কোন মূর্তি অথবা চন্দ্র-সূর্য ইত্যাদির জন্য সিজদায় অবনত হওয়া, অথবা আল্লাহ ব্যতিত অন্য কারো নামে পশু জবাই করা।

কোন ব্যক্তি থেকে কুফর এর কিছু সংঘটিত হওয়ার কুফর হবার ব্যাপারে কিতাবুল্লাহ ও সুন্নাহ থেকে প্রমাণসমূহ খুবই স্পষ্ট। এই কুফর কেবলমাত্র কোন কথা অথবা কোন কর্মের মাধ্যমে হতে পারে, এর সাথে ইচ্ছাকৃত অস্বীকার (জুহদ) অথবা হালাল করা (ইস্তিহলাল) যুক্ত হওয়া ব্যাতীতই। কথা ও কর্মের কুফরকে শুধুমাত্র ইচ্ছাকৃত অস্বীকার (জুহদ) অথবা হালাল করা (ইস্তিহলাল) এর সাথে সীমাবদ্ধ করে দেয়া সহীহ নয়। কেননা সাহাবায়ে কিরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম, তাবেয়ীন আজমাঈনগ অথবা ইমামগণের কেউ এমন বলেননি।

Continue reading

মুরতাদ শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ব্যাপারে সালাফগণের অবস্থান – সত্যিকারের খারেজি কারা?

ইমাম নববী রাহ: বলেন:

আল-ক্বাদ্বি ‘ইয়াদ্ব বলেছেন, ‘উলামাদের ইজমা হল নেতৃত্ব (ইমামাহ) কখনো কাফিরের উপর অর্পণ করা যাবে না, আর যদি (কোন নেতার) তার পক্ষ থেকে কুফর প্রকাশিত হয় তবে তাকে হটাতে হবে… সুতরাং যদি সে কুফর করে, এবং শারীয়াহ পরিবর্তন করে অথবা তার পক্ষ থেকে গুরুতর কোন বিদ’আ প্রকাশিত হয়, তবে সে নেতৃত্বের মর্যাদা হারিয়ে ফেলবে, এবং তার আনুগত্য পাবার অধিকার বাতিল হয়ে যাবে, এবং মুসলিমদের জন্য আবশ্যক হয়ে যাবে তার বিরোধিতা করা, বিদ্রোহ করা, তার পতন ঘটানো এবং তার স্থলে একজন ন্যায়পরায়ণ ইমামকে বসানো – যদি তারা (মুসলিমরা) সক্ষম হয়। যদি একটি দল (তাইফা) ব্যাতীত অন্যান্য মুসলিমদের পক্ষে এটা করা সম্ভব না হয়, তবে যে দলের (তাইফা) সক্ষমতা আছে তাদের জন্য এই কাফিরের (শাসকের) বিরোধিতা করা, বিদ্রোহ করা এবং তার পতন ঘটানো অবশ্য কর্তব্য। আর যদি শাসক কাফির না হয়ে শুধুমাত্র বিদ’আতী হয় তবে, এটা বাধ্যতামূলক হবে না, যদি তারা (তাইফা) সক্ষম হয় তবে তারা তা করবে। আর যদি কেউই সক্ষম না হয় এ ব্যাপারে সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়, তবে বিদ্রোহ করা আবশ্যক না, তবে তখন মুসলিমদের সেই ভূমি থেকে অন্য কোথাও হিজরত করতে হবে, নিজেদের দ্বীনের সংরক্ষণের জন্য।”[সাহিহ মুসলিম বি শারহ আন-নাওয়াউয়ী, ১২/২২৯]

 

হাফিয ইবনে হাজার আল আসকালানী রাহ: বলেন:

“আদ দাউদী বলেছেন, “উলামাদের ইজমা হল, অত্যাচারী (মুসলিম) শাসককে যদি ফিতনাহ (যুদ্ধ) ব্যতিত অপসারণ করা সম্ভব হয় তবে তা করা ওয়াজিব; কিন্তু যদি এতে ফিতনাহ (যুদ্ধ)শুরু হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে তাহলে ধৈর্য ধারণ করা বাধ্যতামূলক। এবং কোন কোন আলিমগণের দৃষ্টিভঙ্গি এমন যে, ফাসিক ব্যক্তিও শাসন কার্যের জন্য অনুমোদিত নয় যদি সে পূর্বে থেকেই ফাসিক হয়ে থাকেন। কিন্তু যদি এমন হয় যে, তাকে শাসক বানানোর সময় তিনি ফাসিক ছিলেন না পরবর্তীতে ফিস্‌কে লিপ্ত হয়েছেন তবে এমন ফাসিক শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার ব্যাপারে আলিমগণ মতভেদ আছে। এক্ষেত্রে সঠিক মত হলো তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ নিষিদ্ধ।

কিন্তু যে শাসক ‘কুফর’ এ লিপ্ত হন তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ওয়াজিব।” (ফাতহুল বারী ১৩/১০)

 

ইবনে হাজার রাহ: সালাফগণ থেকে বর্ণনা করেন:

“(তাওহীদীবাদী মুসলিম)ফাসিক শাসকের আনুগত্য এবং তার পক্ষ নিয়ে জিহাদ করা বৈধ এ ব্যাপারে ফকিহগণের ইজমা’ আছে। তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা এবং অনেকের রক্ত ঝরানোর চেয়ে বরং তার আনুগত্য করাই উত্তম। শাসকদের থেকে সুস্পষ্ট কুফ্‌র প্রকাশ পাওয়া ব্যতিত এক্ষেত্রে আনুগত্যের ব্যাপারে ফকিহগণ কোন ছাড় দেননি। অপরদিকে শাসকের থেকে কুফর প্রকাশিত হলে সেই কুফরের ওপর তার আনুগত্য করা যাবে না, বরং তার বিরুদ্ধে জিহাদ করা প্রত্যেক সক্ষম ব্যক্তির উপর ওয়াজিব। (ফাতহুল বারী ৯/১০)

যে শাসকেরা ইয়াহুদী-খৃষ্টানদের থেকে জিযয়াহ আদায় করেনা, এবং কুফ্‌ফারদের বিরুদ্ধে জিহাদকে নিষিদ্ধ করে তাদের ব্যাপারে শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ রাহঃ বলেছেন –এসব কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানো যেকোন দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে, তারা যদি এসব কাজের আবশ্যিক হওয়াকে স্বীকারও করে, তবুও। এবং এ ব্যাপারে এর বিপরীত কোন মত আমার জানা নেই।(মাজমু আল-ফাতাওয়া, ২৮/৫০৩,৫০৪)

সুতরাং মুরতাদের শাসকের ব্যাপারে অবস্থান স্পষ্ট।

এ সকল ফক্বিহগণের বক্তব্য থেকে সুস্পষ্টভাবে এটা পরিস্কার হলো যে, ‘ফাসিক’ যালিম শাসক এবং মুবতাদি (বিদাতি) শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের মধ্যে ফকিহগণ পার্থক্য করেছেন। তার মধ্যে কিছু ফকিহ বিদ্রোহের ক্ষেত্রে শর্ত দিয়েছেন ‘ফিতনাহ ব্যতিত অপসারণ করার সক্ষমতা”।

যেমন ক্বাযী ইয়ায রাহ: বলেছেন; “আর যদি শাসক কাফির না হয়ে শুধুমাত্র বিদ’আতী হয় তবে, এটা বাধ্যতামূলক হবে না, যদি তারা (তাইফা) সক্ষম হয় তবে তারা তা করবে।”

এবং আদ দাউদী রাহ: বলেন, “উলামাগণ এ ব্যাপারে একমত যে, জালিম শাসককে যদি ফিতনা (যুদ্ধ) ব্যতিত অপসারণ সম্ভব হয় তবে তা ওয়াজিব হবে।”

কিন্তু যে শাসক কুফরে লিপ্ত তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহকে তারা শুধু অনুমোদনই করেননি বরং তাদের ইজমা হল (অর্থাৎ তাঁরা ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে), এমন শাসককে অপসারণ করতেই হবে প্রয়োজনে রক্ত ঝড়িয়ে হলেও।

যেমন ইবনে হাজর রাহিঃ বলেছেন, কিন্তু যে শাসক ‘কুফর’ এ লিপ্ত হন তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ওয়াজিব।’, এবং ‘শাসকের থেকে কুফর প্রকাশিত হলে সেই কুফরের ওপর তার আনুগত্য করা যাবে না, বরং তার বিরুদ্ধে জিহাদ করা প্রত্যেক সক্ষম ব্যক্তির উপর ওয়াজিব।’

এবং ক্বাযী ইয়ায রাহ: বলেছেন, যদি নির্দিষ্ট জামাত ছাড়া অন্যদের জন্য বিদ্রোহ করা সম্ভব না হয় তবে সে জামাতের উপর ওয়াজিব হবে উক্ত কাফির শাসকের বিরুদ্ধে জিহাদের ঝান্ডা উত্তোলন করা এবং সে (কাফির) শাসককে অপসারণ করা।” ‘যদি একটি দল (তাইফা) ব্যাতীত অন্যান্য মুসলিমদের পক্ষে এটা করা সম্ভব না হয়, তবে যে দলের (তাইফা) সক্ষমতা আছে তাদের জন্য এই কাফিরের (শাসকের) বিরোধিতা করা, বিদ্রোহ করা এবং তার পতন ঘটানো অবশ্য কর্তব্য, ওয়াজিব

সুতরাং

যে সকল মুজাহিদীনগণ এমন কাফির-তাগুত শাসকের বিরুদ্ধে জিহাদের ঝান্ডা উত্তোলন করেন তাদেরকে ‘খাওয়ারিজ’ বলা কি ন্যায়সঙ্গত? অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রকৃত খাওয়ারিজদের সম্পর্কে এভাবে বলেছেন; “তারা ইসলামের অনুসারীদেরকে হত্যা করবে, এবং মুর্তিপূজারীদেরকে ছেড়ে দিবে” [সহিহ বুখারি]

আজ কারা তাওহীদের সৈনিকদেরকে হত্যা করছে, বন্দী করছে, তাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি করছে, নির্যাতন করছে, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, তাদেরকে গ্রেফতার করে জায়নিষ্ট এবং ক্রুসেডারদের কাছে হস্তান্তর করছে?

আজ কারা বিশ্বব্যপী লাখো মুসলিমদের হত্যাকান্ডে ক্রুসেডারদেকে সহায়তা করছে? এবং মুহাম্মাদে আরাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আরব উপদ্বীপে ক্রুসেডারদেরকে ঘাঁটি গাড়তে দিচ্ছে? তাদের আশ্রয় প্রদান অব্যাহত রেখেছে?

আজ কারা কেবল মুশরিকদের ছেড়েই দিচ্ছে না, বরং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আরব উপদ্বীপে অবস্থান করা তারা প্রতিটি জায়নিষ্ট ও ক্রুসেডারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করছে?

আজ কারা কারা হোয়াইট হা্উজের কুফফারদের মানোতুষ্টির জন্য মুসলিমদেরকে হত্যা করছে?

কারা মুজাহিদীনের বিরুদ্ধে ক্রুসেডারদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করছে?

কারা জায়নিষ্ট ও ক্রুসেডারদের তৃষ্ণা মেটাতে যে কোন ব্যক্তিকে হত্যা করতে পারে, আবার একইসাথে নিজেদের মুসলিম দাবি করার দুঃসাহস দেখাতে পারে?

আজ কারা মুসলিমদের থেকে জিযয়া গ্রহণ করে জায়নিষ্ট ও ক্রুসেডারদেরকে অনুদান দিচ্ছে?

কারা ক্রুসেডারদের পাশে নিজেকে নিরাপদ ভাবতে পারে আর মুজাহিদদের পাশে অনিরাপদ মনে করে?

ভাবুন, চিন্তা করুন, তাহলে হয়তো আপনার কাছে পরিষ্কার হবে কারা আসল খাওয়ারিজ…

কুতুব ও কারদাবি – ড. তারিক আব্দুল হালিম

সাইয়্যিদ কুতুব রহঃ ও ইউসুফ আল-কারদাবি। ইখওয়ানুল মুসলিমীন এবং জামায়াতে ইসলামীর চিন্তাধারার সাথে এ দুটো নাম যুক্ত।

কিন্তু এ দুজনের চিন্তা কি সামঞ্জস্যপূর্ণ? দু’জনের চিন্তা কি মৌলিকভাবে এক, নাকি গুরুতর পার্থক্য বিদ্যমান? ইখওয়ান এবং জামাত কি সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তার অনুসরণ করে? নাকি কারদাবির?

বস্তুত সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তাকে ইখওয়ান-জামাতের সাথে ব্যপকভাবে যুক্ত করা হলেও বর্তমানে এ দুটী দল কোন ভাবেই সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তার অনুসরণ করে না। বরং তাদের ঘোষিত অবস্থান অনুযায়ী সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তা ‘তাকফিরি” এবং “চরমপন্থী”। অন্যদিকে সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তা অনুযায়ী বিচার করলে ইখওয়ান ও জামাত ব্যাপকভাবে জাহেলিয়্যাতের মধ্যে নিমজ্জিত।

Continue reading

ইসলাম ও ইখওয়ানঃ সংঘাত যেখানে

ইখওয়ান ও সমমনা দলগুলো মাসলাহাত, আধুনিকায়ন ও বাস্তবমুখী হবার নাম করে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন আক্বিদা ও মানহাজগত বিচ্যুতির স্বাভাবিকীকরন করেছে। প্রয়োজন মতো শারীয়াহর নসের বিকৃতি ও ভুল ব্যাখ্যা করেছে, আর যখন তা যথেষ্ট হয় নি তখন বিভিন্ন বুদ্ধিজাত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষন আর রেটোরিক দিয়ে যা জায়েজ করা দরকার তা জায়েজ করে নিয়েছে। যখনই তাদের এসব কার্যক্রমকে শরীয়াহর মানদণ্ডে বিচার করার চেষ্টা করা হয়েছে তারা বিভিন্ন ভাবে তা এড়িয়ে গেছে। নিজেদের কল্পিত বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষ, “হিকমাহ” আর মাসলাহাতের বুলি আওড়ে অভিযোগকারীকে বোকা, নির্বোধ, বাস্তবজ্ঞান ও কান্ডজ্ঞানহীন প্রমাণে সচেষ্ট হয়েছে।

Continue reading

تبصير العقلاء بتلبيسات أهل التجهّم والإرجاء

تبصير العقلاء

بتلبيسات أهل التجهّم والإرجاء

وهو رد على كتاب (التحذير من فتنة التكفير)

للشيخ أبي محمد عاصم المقدسي

ডাউনলোড

 

সংশয়ঃ কুফরে লিপ্ত ব্যক্তির ব্যাখ্যার ওজরকে উপেক্ষা করা

শায়খ আবু কাতাদা আল ফিলিস্তিনি

মাদখালি-মুরজিয়াদের একটি মারাত্মক সংশয়ঃ
“সালাফরা মুতাজিলা শাসকদের তাকফির করেন নি, তাই আল্লাহ’র আইন প্রত্যাখ্যানকারীদেরকেও তাকফির করা যাবে না।”

খাওয়ারিজদের একটি মারাত্মক সংশয়ঃ
“কোনো প্রকার কুফরে আকবার পেলেই তাউইয়িল বা ব্যাখ্যার সুযোগকে অগ্রাহ্য করে ঢালাও তাকফির করতে হবে।” Continue reading

সংশয়ঃ শাসকপন্থী বিখ্যাত আলেমদের বিরোধীতা উচিৎ নয়!

শায়খ আবু কাতাদা আল ফিলিস্তিনি হাফিজাহুল্লাহ

পিডিএফ ডাউনলোড

প্রশ্নঃ

অনেক তরুণ (বিশেষত যাদের বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্রে সরকারি ও এসব শাসনপন্থ আলেমদের সাথে সম্পর্ক/আন্তরিকতা রয়েছে তারা) বলে যে তোমাদের শায়খ আবু কাতাদা এমন অনেক বিষয় অবতারণা করেন যা আমাদের দেশের ‘আহলুল হল্ল ওয়াল আক্বদ’ তথা কর্তৃত্ববান আলেমদের প্রচলনের পরিপন্থ Continue reading

মুরজিয়াদের অপকৌশল

আল্লামা সুলাইমান আল উলওয়ান

বর্তমানে লোকদের স্বভাব হয়েছে যে ভিন্নমত পোষনকারীদের খারেজি বলে ঘায়েল করছে। যে ব্যক্তি আমর বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকার করতে গেল ব্যাস খারিজি হয়ে গেল, যে মুরতাদদেরকে কাফের বললো সে খারেজি হয়ে গেল, বিশৃংখলা সৃষ্টিকারী বিকৃতিগ্রস্থদের যারা প্রকাশ করে দিলো খারেজি হয়ে গেল, কেউ ঈমান ভঙ্গের কারণসমূহ নিয়ে আলোচনা করেছেন তো ব্যাস খারেজি আখ্যা পেয়ে যাচ্ছেন। Continue reading

আগুন!

শায়খ নাসির বিন হামদ আল ফাহদ

ডাউনলোড

শায়খ সাথে পা ভাজ করে বসলেন। স্বভাবসুলভ গাম্ভীর্যের সাথে আমামাহ ঠিক করলেন। তারপর ধীরে ধীরে তাঁর চারপাশে বসে থাকা ছাত্রদের দিকে এক একে তাকালেন। তাঁরা বসে ছিল স্থির হয়ে, নিবিষ্ট মনে মাটির দিকে চোখ নামিয়ে – যেন তাঁদের মাথায় পাখি বসে আছে, আর একটু নড়াচড়াতেই উড়ে যাবে। শায়খ শুরু করলেনঃ Continue reading

কাশফুশ শুবুহাত (সংশয় নিরসন)

কাশফুস শুবুহাত

ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব রহঃ

ডাউনলোড