শায়খ হামুদ বিন উক্বলা আশ শুয়াইবির রাহিমাহুল্লাহ জীবনী

তিনি হলেন বানু খালিদ গোত্রের আবু আব্দুল্লাহ হামুদ বিন আব্দুল্লাহ বিন উক্বলা বিন মুহাম্মাদ বিন আলি বিন উক্বলা আশ-শু’আইবি আল-খালিদি। তার জন্ম ১৩৪৬ হিজরিতে (১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ)। ক্বাসীম প্রদেশের বুরাইদা বিভাগের আশ-শাক্বক্বাহ শহরে। তারায় পড়াশুনায় হাতেখড়ি হয় ৬ বছর বয়সে। ১৩৫২ হিজরিতে (১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ) গুটিবসন্তের কারনে তিনি দৃষ্টিশক্তি হারান।

অন্ধত্ব তার ‘ইলম অর্জনের পথে বাধা হতে পারে নি। তিনি শায়খ আব্দুল্লাহ বিন মুবারাক আল-উমারির অধীনের ক্বুরআনের হিফয করা শুরু করেন এবং ১৩ বছর বয়সে সম্পূর্ণ ক্বুরআনের হিফয সমাপ্ত করেন। তবে হিফয ও তাজউয়িদ সম্পূর্নভাবে আত্মস্থ করতে তার সময় লাগে আরো ২ বছর। তার এই অর্জনের পেছনে তার পিতার গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল, তিনি সবসময় চাইতেন যে তার ছেলে একজন ‘ইলম অন্বেষণকারী হবে –  আল্লাহ তার উপর রহম করুন।

ক্বুরআন হিফয করার পর তিনি কিছদিন তার পিতাকে চাষাবাদ ও খেজুর বাগানের দেখাশুনায় সাহায্য করেন।

১৩৬৭ হিজরিতে (১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ) পিতার নির্দেশ অনুযায়ী ‘ইলম অর্জনের লক্ষ্যে তিনি রিয়াদে আসেন। তিনি ;ইলম শিক্ষা শুরু করেন শায়খ আব্দুল লতিফ বিন ইব্রাহিম আলুশ-শাইখ রাহিমাহুল্লাহর অধীনে। এই মহান শিক্ষকের অধীনের তিনি আল-আজ্রুমিয়্যাহ, উসুল আস-সালাসা, রাহবিয়াতু ফিল ফারাইদ এবং ক্বাওয়াইদ আল-আরবা’আ  সম্পূর্ণ মুখস্থ ও এর ব্যাখ্যাসমূহ আত্মস্থ করা সম্পন্ন করেন।

অতঃপর১৩৬৮ হিজরিতে (১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ) তিনি শায়খ মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম আলুশ শায়খ রাহিমাহুল্লাহর শিষ্যত্ব গ্রহন করেন। এই মহান শায়খের অধীনে তিনি প্রাথমিক ভাবে যাদ আল মুস্তাক্বানি, কিতাবুত তাওহিদ, কাশফুশ শুবুহাত, আল ওয়াসিতিয়্যাহ (শায়খ আল-ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রাহিমাহুল্লাহ), আল-আরবা’ঈন আন-নাওয়াউইয়্যাহ, আলফিয়াতু ইবন মালিক, বুলুগ্বুল মারাম অধ্যায়ন। শায়খ মুহাম্মাদের রাহিমাহুল্লাহ অধিনে সকল ছাত্রকেই বাধ্যতামূলকভাবে এই কিতাবগুলো শিখতে হতো।

এগুলোর পর তিনি শায়খ মুহাম্মাদের কাছে অধ্যায়ন করেন আক্বিদা আত-তাহাউইয়্যাহ, আদ দুররাহ আল মুদানিয়্যাহ, আক্বিদা আল-হামাউইয়্যাহ। শায়খ মুহাম্মাদ আলাদা ভাবে তাকে এই কিতাবগুলোর শিক্ষাদান করেন।

এছাড়াও তিনি শিক্ষাগ্রহন করেন নিম্নোক্ত উলামার অধীনে –

তিনি আব্দুল আযিয বিন বাযের রাহিমাহুল্লাহ অধীনে তাওহিদ ও হাদিসের ‘ইলম অর্জন করেন।

শায়খ মুহাম্মাদ আল আমিন আশ-শানক্বিতি রাহিমাহুল্লাহ

শায়খ মুহাদ্দিস আব্দুর রাহমান আল-আফ্রিকি রাহিমাহুল্লাহ

শায়খ আব্দুল আযিয বিন রাশীদের রাহিমাহুল্লাহ অধীনে তিনি ফিক্বহ অধ্যায়ন করেন

শায়খ আব্দুল্লাহ আল খুলাইফি

শায়খ হামাদ আল-জাসির

শায়খ সাউদ বিন রাশুদ (রিয়াদের ক্বাযি)

শায়খ ইব্রাহিম বিন সুলাইমান

ইউসুফ উমার হাসনাইন, আব্দুল লতিফ সারহান, ইউসুফ দাবা’ সহ মিশরের বিভিন্ন আলিমের কাছে আরবী ব্যকরন শিক্ষা করেন

 

 

১৩৭৬ হিজরিতে (১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দ) তিনি কিং সাউদ ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষক নিযুক্ত হন। ১৩৭৭-১৪০৭ হিজরি পর্যন্ত (১৯৫৬-১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ) তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তারপর তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। এই দীর্ঘ সময় তিনি ইউনিভার্সিটিতে তাওহিদ, ফিক্বহ, ফারাইদ, হাদিস, উসুল, ব্যাকরনসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর শিক্ষাদান করেন। এছাড়া তিনি বেশ কিছু মাস্টার্স ও ডক্টরেট থিসিসের সুপারভাইজার ছিলেন।

তার অসংখ্য ছাত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজনের নাম হলঃ

 

আব্দুল আযিয আলুশ শায়খ (সৌদি আরবের বর্তমান মুফতি), আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুহসিন আত-তুর্কি প্রাক্তন ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রী,আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম আল আশ-শায়খ প্রাক্তন বিচার সংক্রান্ত মন্ত্রী, সালিহ আল-ফাউযান, গায়হাব আল গায়হাব, ক্বাজি আব্দুর রাহমান বিন সালিহ আল-জাবর, ক্বাজি আব্দুর রাহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-আজলান – প্রাক্তন প্রধান ক্বাজি ক্বাসিম প্রদেশ, সুলাইমান বিন মুহান্না – প্রাক্তন প্রধান ক্বাজি রিয়াদ, আব্দুল্লাহ আল-গ্বুনাইমান।

এছাড়া শায়খ যাদের ডক্টরেট থিসিস রিভিউ করেছেন তাদের মধ্যে আছেন।

আবু বাকর আল জাযাইরি, রাবি বিন হাদি আল-মাদ্বখালি, মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমিন।

শায়খের সবচেয়ে অন্তরঙ্গ ছাত্র যারা তার আদর্শ ও মানহাজকে অবিকৃত ভাবে ধারন করেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন – শায়খ আলি আল খুদাইর, শায়খ সুলাইমান বিন নাসির আল-‘উলওয়ান, শায়খ নাসির আল ফাহাদ, আল্লাহ তাঁদের কল্যাণময় মুক্তি ত্বরান্বিত করুন।

যখন আফগানিস্তানে তালিবান কর্তৃক ইসলামি ইমারাত প্রতিষ্ঠিত হয় তখন শায়খ হামুদ এবং তার দুই ছাত্র সুলাইমান আল-‘উলওয়ান এবং আলি আল-খুদাইর, আমীরুল মু’মিনীন মুল্লাহ উমার রাহিমাহুল্লাহ-কে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি লেখেন এবং মুল্লাহ উমারকে আমিরুল মু’মিনিন বলে সম্বোধন করেন। এছাড়া সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য তালিবানকে সাহায্য করা বাধ্যতামূলক বলে তিনি একটি ফতোয়া দেন। এছাড়া ২০০১ এ যখন সারা বিশ্ব মুসলিমদের বিরুদ্ধে অ্যামেরিকার সাথে জোট বাধছিল তখন এই মহান নির্ভীক শায়খ ফতোয়া দেন যে আগ্রাসী কাফির অ্যামেরিকার বিরুদ্ধে তালিবানকে এবং আফগানিস্তানের মুহাজিরদের সহায়তা করা সকল মুসলিম উম্মাহর জন্য বাধ্যতামূলক। শায়খ হামুদ প্রকাশ্যে সৌদি শাসকগোষ্ঠীর কুফর সম্পর্কে কথা বলতেন। এই কারনে ৭৫ বছর বয়সে এই অন্ধ বৃদ্ধকে কারারুদ্ধ করা হয়।

শায়খ হামুদ বিন উক্বলা আশ-শু’আইবি আপোষহীন, নির্ভীক এক নক্ষত্র, মিল্লাতু ইব্রাহিমের দিকে আহবানকারী, মুশরিক ও কাফিরদের উপেক্ষা করে প্রকাশ্যে সত্যকে ঘোষণাকারী – যিনি শায়খ আল-ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ এবং ইমাম ওয়াল মুজাদ্দিদ শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব ও উলামায়ে নাজদের প্রকৃত উত্তরসূরি।

এই মহান শিক্ষক ১৪২২ হিজরির ৪ই জিলক্বদ (১৮ই জানুয়ারি, ২০০২) মৃত্যুবরন করেন। আল্লাহ তার উপর রহম করুন। ইমাম ওয়াল মুজাদ্দিদ আব্দুল্লাহ আযযাম রাহিমাহুল্লাহ –এর মৃত্যুর পর এটাই ছিল মুসলিম উম্মাহ ও মুজাহিদিনের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতি।

শায়খ আবু কাতাদার সংক্ষিপ্ত জীবনী

শায়খ আবু কাতাদা ওমর মাহমুদ ওসমান হাফিযাহুল্লাহ একজন ফিলিস্তিনী বংশোদ্ভুত এক জর্ডান প্রবাসী আলেম। দাওয়াতি তৎপরতার কারণে পৃথিবীর অনেক দেশে তাঁকে শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলে তলব করা হয়েছে। পরবর্তীতে জর্দানের ছোট্ট রাষ্ট্রে তার বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ জারি করা হয়েছে। তিনি বৃটেনেও কারাভোগ করেছেন।

Continue reading

এক মহীরুহঃ শায়খ ইউসুফ আল উয়াইরির রহঃ জীবনি

কিছু মানুষ অন্যদের জন্য রোলমডেলে পরিণত হন। কিছু মানুষের জীবন অন্যদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যোগায়। আর কিছু মানুষ এমন থাকেন যে তাদের জীবনটাই অন্যদের জন্য দাওয়াতে পরিণত হয়। আজ এমন এক জীবনের গল্প তুলে ধরবো আপনাদের সামনে। মাত্র একত্রিশ বছরের জীবনে ছুটে বেড়িয়েছেন নানা দেশে, নানা ময়দানে। যুদ্ধ করেছেন দুই সুপার পাওয়ারের বিরুদ্ধে। সামরিক ময়দানে এবং মনস্তাত্ত্বিক তথা বুদ্ধিবৃত্তিক ময়দানে। পাশ করেছেন ইউসুফের আলাইহিস সালাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। নিজের সর্বস্ব উজার করে দিয়েছেন তাওহিদের দাওয়াহ ও তাওহিদ প্রতিষ্ঠান জন্য। নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন ‘ইলমের সন্ধানে। তুচ্ছ করেছেন নিজের জীবনকে, তাওহিদ ওয়াল হাদিদের সম্মানিত পথে ব্যয় করেছেন সবকিছু। আলিম, মুজাহিদ, মুফাক্কির। রণকৌশলবিদ, মিডিয়া মাস্টারমাইন্ড, দা’ঈ ইলাল্লাহ শায়খ ইউসুফ বিন সালিহ বিন ফাহদ আল-উয়ায়রি, রাহিমাহুল্লাহ।

এক মহীরুহ!

Continue reading

শায়খ নাসির আল-ফাহাদের জীবনি

শায়খ নাসির আল-ফাহাদের জীবনি। আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা’আলা তার মুক্তি ত্বরান্বিত করুন

তার নাম, বংশপরিচয় ও বাসস্থানঃ

তার নাম নাসির ইবনে হামাদ ইবন হুমাইয়্যিন ইবনে হামাদ ইবন ফাহাদ। তিনি জন্মেছেন আল-আসা’ইদা আল-রাওয়াকিয়া গোত্রে। তার পূর্বপুরুষ ছিলেন বনি সাদ ইবনে বাকর, যারা শৈশবে রাসুল (সাঃ) কে লালন পালন করেছিলেন। বর্তমানে তারা উতাইবাহ নামে পরিচিত। তার মায়ের নাম নুরা আল গাজী। তিনি জন্মসূত্রে আল দাওয়াসীর গোত্রের। শায়খ নাসিরের পারিবারিক বাসস্থান ছিলো আল-সুয়াইরে যেটি “আল-যুলফি” নামক গ্রামে অবস্থিত।। শায়খ আল-আল্লামাহ মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহীমের(রাহিমাহুল্লাহ) সাথে কাজ করার জন্য শায়খ নাসিরের পিতা শেখ হামাদ ইবনে হুমাইয়্যিন রিয়াদে গিয়েছিলেন। তার সাথে তিনি ১৮ বছর অতিবাহিত করেন এবং রিয়াদেই মৃত্যুবরণ করেন।

Continue reading

শায়খ আব্দুল হাকিম হাসসান

শায়খের সকল রচনাবলী

জন্মঃ ১৩৭৯ হিজরি, মিসর

আল্লাহ তাআলা তার উপর নেয়ামত বর্ষণ করুন, তিনি সত্তরের দশক থেকে সালাফি মানহাজের সাথে লেগে ছিলেন।

তিনি মিসরি মাশায়েখদের একটি জামাআতের কাছে ইলম অর্জন করেছিলেন। সে সময় তাঁর দরস সমূহের গুরুত্বপূর্ণ ছিল মাসায়েলে ঈমান ও ই’তেকাদ সম্পর্কিত দরসগুলো। Continue reading

শায়খ উমার আব্দুর রহমান রহঃ

শায়খের সকল রচনা, বয়ান

১৯৩৮ সালে মিশরে জন্মগ্রহন করা শায়খুল মাশায়েখ উমার আবদুল রহমান ছিলেন আমাদের সময়কার অন্যতম কিংবদন্তী।

যখন থেকে উম্মাহ আল্লাহর শরিয়াহ, এর উপর আমল করা ছেড়ে দিয়েছের উম্মাহর শত্রুরা ইসলামের বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে। উম্মাহ নানা অত্যাচার অবমাননার স্বীকার হওয়া শুরু করেছে। উম্মাহর এই ক্ষত আরো গভীর হয়েছে যখন এর সর্বোত্তম সন্তানদের এই উম্মাহ ত্যাগ করেছে। উম্মাহর এমনি এক ভুলে যাওয়া গুরাবা ছিলেন তাগুতের কাছে বন্দী সিংহ, ধৈর্যশীল শাইখ উমর আব্দুর রহমান রহঃ Continue reading

আল্লামা সুলাইমান আল উলওয়ান

সুলাইমান ইবন নাসির ইবন আবদুল্লাহ আল-‘উলওয়ানের জন্মে বিলাদুল হারামাইনের আল-ক্বাসিম প্রদেশের বুরাইদা শহরে। ১৩৮৯ হিজরিতে। শায়খ সুলাইমান ‘ইলম শিক্ষা শুরু করেন ১৫ বছর বয়সে। শুরু থেকেই শায়খ সুলাইমান শারীয়াহর বিভিন্ন ব্যাপারে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও তার বিস্ময়কর স্মৃতিশক্তির কারনে প্রশংসিত ছিলেন। Continue reading

শায়খ আলী আল-খুদাইর

শায়খের রচনাবলী

আলী বিন খুদাইর বিন ফাহাদ আল-খুদাইর। তিনি ১৩৭৪ হিজরীতে রিয়াদে জন্মগ্রহণ করেন। কাসীমে অবস্থিত জামিয়াতুল ইমাম থেকে ১৪০৩ হিজরীতে উসূলুদ – দ্বীনে ডিগ্রী নিয়ে বের হন। Continue reading

শায়খ ফারিস আয-যাহরানি

শায়খের রচনাবলী

শায়খ ফারিস আহমাদ জামান আল-শুহাইল আয-যাহরানি। কুনিয়া আবু জান্দাল আল আযদি। জন্ম ১৩৯৭ হিজরি (১৯৭৭ ইং)। জন্মস্থান যাহরানের ভূমির আল-জাওফা গ্রামে।

শায়খ ফারিস আয-যাহরানির পড়াশুনার প্রথম পাঠ সম্পন্ন হয় গ্রামের স্কুলে। হাই স্কুলে পড়ার সময় শায়খ কুরআন হিফয করেন এবং হিফযের উপর ইজাযাহ লাভ করেন। হাইস্কুল শেষ হবার সাথে সাথেই শায়খ ফারিস ভর্তি হন মদিনার উলুম আল-কুরআন কলেজে। কিন্তু এক সেমিস্টার শেষ করেই তিনি ভর্তি হন ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে। Continue reading

শায়খ আহমাদ মুসা জিবরিল

শায়খের সকল লেখা/অডিও বয়ান পেতে ভিজিট করুন

শায়খ আহমেদ মুসা জিবরীলের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রে। তার পিতা শায়খ মুসা জিবরীল রাহিমাহুল্লাহ ছিলেন মদীনার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। সেই সুবাদে আহমেদ মুসা জিবরীল শৈশবের বেশ কিছু সময় কাটান মদীনায় । সেখানেই ১১ বছর বয়সে তিনি হিফয সম্পন্ন করেন। হাইস্কুল পাশ করার আগেই তিনি বুখারী ও মুসলিম শরীফ মুখস্ত করেন। কৈশোরের বাকী সময়টুকু তিনি যুক্তরাষ্ট্রেই কাটান এবং সেখানেই ১৯৮৯ সালে হাইস্কুল থেকে পাশ করেন।

পরবর্তিতে তিনি বুখারী ও মুসলিম শরিফের সনদ সমূহ মুখস্ত করেন আর এরপরে হাদিসের ৬টি কিতাব (কুতুব সিত্তাহ) মুখস্ত করেন। এরপর তিনিও তার বাবার পদাঙ্ক অনুসরন করে মদীনার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরীয়াহর উপর ডিগ্রী নেন। Continue reading