গণতন্ত্র ও সংসদে অংশগ্রহণের ব্যাপারে হুকুম – শায়খ নাসির আল ফাহদ

শাইখ নাসির ইব্‌ন হামদ আল-ফাহাদ (ফাক্কাল্লাহু আশরাহ) -কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল গণতন্ত্রের অর্থ কী? শূরা এবং গণতন্ত্রের মধ্যে পার্থক্য কী? এবং সংসদে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কী হুকুম?

শাইখ (ফাক্কাল্লাহু আশরাহ) -এর জবাব: গণতন্ত্র হল জনগণের শাসন। যার অর্থ হল আইন প্রণয়ন এবং হালাল-হারাম নির্ধারণের অধিকার জনগণের। ইসা (আ) -এর জন্মের আগে প্রাচীন গ্রীসে এর অস্তিত্ব ছিল। ইংরেজ এবং ফরাসী বিপ্লবের সময় থেকে এ ধারণা আরো বিকশিত হতে হতে আজকের অবস্থায় পৌছেছে। Continue reading

মিথ্যে গণতন্ত্র

ডাউনলোড করুন –

লিঙ্ক ১

লিঙ্ক ২

লিঙ্ক ৩

 

যদিও ইরাক আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আমেরিকা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সাথে আলোচনা করেনি, এবং সাধারন পরিষদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেনি, তবুও বাস্তবতা হল জাতিসংঘের সাধারন পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদ দুটোই আমেরিকার পরিকল্পন অনুযায়ীই ১৯৪৫ সালে স্থাপিত হয়েছিল। এ গণতন্ত্রকে ঘিরে একটি মিথ্যার পুনরাবৃত্তি করা হয় আর তা হল, মুসলিম উম্মাহ ও দেশগুলোতে গণতন্ত্রের অনুপস্থিতিই হল মুসলিম উম্মাহর তীব্র সমস্যার কারণ।

Continue reading

ইসলাম ও ইখওয়ানঃ সংঘাত যেখানে

ইখওয়ান ও সমমনা দলগুলো মাসলাহাত, আধুনিকায়ন ও বাস্তবমুখী হবার নাম করে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন আক্বিদা ও মানহাজগত বিচ্যুতির স্বাভাবিকীকরন করেছে। প্রয়োজন মতো শারীয়াহর নসের বিকৃতি ও ভুল ব্যাখ্যা করেছে, আর যখন তা যথেষ্ট হয় নি তখন বিভিন্ন বুদ্ধিজাত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষন আর রেটোরিক দিয়ে যা জায়েজ করা দরকার তা জায়েজ করে নিয়েছে। যখনই তাদের এসব কার্যক্রমকে শরীয়াহর মানদণ্ডে বিচার করার চেষ্টা করা হয়েছে তারা বিভিন্ন ভাবে তা এড়িয়ে গেছে। নিজেদের কল্পিত বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষ, “হিকমাহ” আর মাসলাহাতের বুলি আওড়ে অভিযোগকারীকে বোকা, নির্বোধ, বাস্তবজ্ঞান ও কান্ডজ্ঞানহীন প্রমাণে সচেষ্ট হয়েছে।

Continue reading