একটি সংশয়ঃ অজ্ঞতা ও বাধ্যবাধকতার অজুহাত দেখিয়ে তাগুতকে অব্যাহতি দেয়া

প্রশ্নঃ

ক) যখন কোন মানুষের উপর হুজ্জাত ক্বায়েম করা হয় এবং তার মাঝে যদি তাকফীর এর প্রতিবন্ধকগুলোর মধ্য থেকে কোনটি তাঁর মাঝে পাওয়া না যায় তবে তাকে তাকফীর করা যাবে

খ) শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া’র (রহ.) জাহমিয়া সম্প্রদায়ের উপর হুজ্জাত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কিন্তু তাদের নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের তাকফির করেননি

এই দুই অবস্থানের মধ্যকার বিরোধ কিভাবে নিরসন করা হবে?

এমনিভাবে মু’তাযিলা সম্প্রদায় এর ব্যাপারে ইমাম আহমাদ রহ. এর অবস্থান। তাদের উপর হুজ্জাত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তাদেরকে পরাজিত করেছিলেন। আর তারা (মুতাযিলারা) তো ভাষা ও দ্বীন সম্পর্কে আলিমদের জামাত ছিলো (কিন্তু তিনি তাদের নির্দিষ্ট করে তাকফির – তাফফির মুয়াইয়্যিন – করেননি)।

Continue reading

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ. এর বক্তব্য থেকে সৃষ্ট মুরজিআদের সংশয়ের নিরসন

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক। আম্মাবাদ…

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ. এর একটি বক্তব্য বর্ণিত হয়েছে, যার বিবরণ নিম্নরূপ:

“যে সমস্ত প্রকাশ্য কাজ কুফর হয়- যেমন প্রতিমাকে সিজদাহ করা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দেওয়া বা এজাতীয় কাজগুলো- (এগুলোর কুফর হবার কারণ হল) তার কারণ হল, তার মধ্যে অনিবার্যভাবে আভ্যন্তরীণ কুফরও বিদ্যমান থাকে। অন্যথায় যদি ধরে নেওয়া হয় যে, সে মূর্তির সামনে সিজদাহ করেছে, কিন্তু মনে মনে তাকে সিজদাহ করার ইচ্ছা করেনি, বরং মনে মনে আল্লাহকেই সিজদাহ করার ইচ্ছা করেছে, তাহলে এটা কুফর হবে না। Continue reading

তাগুতের কুফর সম্পর্কে সন্দেহ ও সংশয়?

তাগুতদের মধ্যে যারা নিজেদেরকে মুসলিম বলে পরিচয় দিয়ে থাকে তাদের কুফরের ব্যাপারে অনেকের অধ্যে সন্দেহ ও সংশয় কাজ করে। এ কারনেই তাগুতদের অবস্থা সাধারণ জনগোষ্ঠীর কাছে অস্পষ্ট হয়ে পড়েছে। বিশেষত এ কারনে যে, তারা ইসলামের বহু বিষয় যেমন: হজ্জ , সালাত, মসজিদ নির্মাণ, কুরআন তিলাওয়াত, সাদাকাহ বিতরণ ইত্যাদি বিষয়গুলো আদায় করে থাকে।

 

যারা তাদের কাফের ঘোষণা করে না তারা তিন শ্রেণীর হয়ে থাকে :

Continue reading

মুরজিয়া ও কুফর

শায়খ সুলাইমান আল-উলওয়ান

আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ এ ব্যপারে একমত যে কুফর হতে পারে কথার মাধ্যমে, যেমন দ্বীনের কোন বিষয়কে স্পষ্ট উপহাস (ইস্তিহযা) করা। এবং কুফর হতে পারে কোন কর্মের মাধ্যমে, যেমন কোন মূর্তি অথবা চন্দ্র-সূর্য ইত্যাদির জন্য সিজদায় অবনত হওয়া, অথবা আল্লাহ ব্যতিত অন্য কারো নামে পশু জবাই করা।

কোন ব্যক্তি থেকে কুফর এর কিছু সংঘটিত হওয়ার কুফর হবার ব্যাপারে কিতাবুল্লাহ ও সুন্নাহ থেকে প্রমাণসমূহ খুবই স্পষ্ট। এই কুফর কেবলমাত্র কোন কথা অথবা কোন কর্মের মাধ্যমে হতে পারে, এর সাথে ইচ্ছাকৃত অস্বীকার (জুহদ) অথবা হালাল করা (ইস্তিহলাল) যুক্ত হওয়া ব্যাতীতই। কথা ও কর্মের কুফরকে শুধুমাত্র ইচ্ছাকৃত অস্বীকার (জুহদ) অথবা হালাল করা (ইস্তিহলাল) এর সাথে সীমাবদ্ধ করে দেয়া সহীহ নয়। কেননা সাহাবায়ে কিরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম, তাবেয়ীন আজমাঈনগ অথবা ইমামগণের কেউ এমন বলেননি।

Continue reading

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী কি কাফির?

সেকুলারিস্ট বা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী কি কাফির?

জবাব দিয়েছেন- শায়খ ড. হামিদ বিন আব্দুল্লাহ আল-‘আলি।

প্রশ্ন: আমরা একই অনলাই্ন মেসেজ বোর্ডে (ফোরামে) আরাফাতের (ইয়াসির আরাফাত) কুফরির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছিলাম। তখন একজন প্রশ্ন তুললেন এবং এ প্রশ্নটি বারবার উত্থাপিত হয়। তাই আমরা আশা করি যে আপনি আমাদের জন্য এ প্রশ্নের উত্তর দিবেন। বারাকাল্লাহ্।

(প্রশ্নটি হল) ইয়াসির আরাফাত কি কাফির? সব ধরনের কুফরের ক্ষেত্রেই কি উক্ত ব্যক্তির অবস্থার দিকে তাকাতে হবে? এবং তার উপর তাকফিরের কোন প্রতিবন্ধকতা আছে কি না তা দেখতে হবে? তার উপর কেউ হুজ্জাহ প্রতিষ্ঠা করেছে কি না আমাদের কি সেটার জন্য অপেক্ষা করতে দেখতে হবে? আর সকল কুফরের বেলায়ই কি এটি করা শর্ত?

Continue reading

দরবারী আলিমদের মতে তাকফির

আশ-শাইখ আল্লামা নাসির ইবনু হামাদ আল-ফাহাদ ফাক্কাল্লাহু আসরাহ বলেনঃ

শুনে রাখুন আমার মুসলিম ভাইয়েরা, অধিকাংশ আলিমরা দুঃখজনকভাবে তাকফিরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে মূলনীতি এতোদিন জানতেন না, তা হল যে ব্যক্তি এমন কোন কাজ করে যা তাকে ইসলামের গণ্ডী থেকে বের করে দেয় – সে কখনো শাসকদের একজন হতে পারে না। কারণ শাসকরা যে কুফর বা শিরকই করুক না কেন, তাদের তাকফির করা হলে আকাশ ভেঙ্গে পড়া এবং পর্বতমালা ধ্বসে পড়ার মতো অবস্থা হবে।

Continue reading

“যে কাফেরকে কাফের বলেনা সে কাফের” – এই মূলনীতির বিশ্লেষণ!

আল্লামা সুলাইমান আল উলওয়ান

“কাফের কে কাফের না বললে কাফের হয়ে যাবে” এই মূলনীতির ব্যাখ্যা রয়েছে ।

এখানে ৭ টি প্রকার রয়েছেঃ Continue reading