মাদখালি – সালাফি না, মুরজিয়া

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ
সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার, সালাত ও সালাম বর্ষিত হোন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর।

সালাফিয়্যার ছদ্মবেশে সমসাময়িক ইরজা আন্দোলন যে আহলুস সুন্নাহ এর আকিদার উপর আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে, তার বিপক্ষে আমি এই ফোরামে বিগত কয়েক বছর যাবত বিভিন্ন সময় কলম ধরেছি। বস্তুত, গত বছর মুরাদ শুকরির লিখা বইয়ের বিপক্ষে আল-লাজনাহর একটি ফাতওয়ায় বলা হয় যে, এই দলটি (যারা নিজেদের জর্ডানের সালাফী বলে পরিচয় দেয়) আকিদায় ইরজা ধারন করে।

পশ্চিমা দেশে এই দলটির উন্মত্ত অনুসারীরা, যাদের অনেকেরই আরবি বা শরিয়াহ এর জ্ঞান নেই, বছরের পর বছর ধরে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপবাদ দিয়েছে। কুয়েতি ঘোষণায় (যা আমি অনুবাদ করেছি ও ‘বৃটেনের সালাফীদের প্রতি নাসীহাহ’ নামক বক্তব্য পড়ে শুনিয়েছি) শায়খ ইবনে বাজ এর দস্তখত নকল করা, আমাকে আমেরিকার এজেন্ট বলা এবং আহলুস সুন্নাহ এর বিপক্ষে যুদ্ধরত হিশাম কাব্বানীর একজন সহযোগী হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন অপবাদ আমার বিরুদ্ধে বলা হয়েছে।

বিভিন্ন সময় অনেক ভাই ও বোন আমাকে অনুরোধ করেছে আত্মপক্ষ সমর্থন ও এসব অভিযোগের খণ্ডন করতে। প্রতিবারই আমি তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিতাম যে, প্রথমত, আমাদের কোন যুবকেরই উচিৎ না আত্মপক্ষ সমর্থন করা। কারণ আমরা যারা জড়িত, বিশেষভাবে আমি, তাদের কেউই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার গুরুত্ব রাখি না, আত্মপক্ষ সমর্থন করা তো অনেক দূরের কথা। দ্বিতীয়ত, আমাদের উচিৎ আহলুস সুন্নাহ এর মানহাজ অনুসরণ করা।

আহলুস সুন্নাহর মানহাজের মানে হচ্ছে আমরা এই আকিদার সমর্থন ও সুরক্ষা করি কারন এটিই সঠিক আকিদা। এই জন্য না যে কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এই আকিদা ধারন করেন।

দ্বিতীয়ত, এই মানহাজের মানে হচ্ছে আমরা সত্যের সাক্ষ্য দেই, কারণ তা প্রকৃত অর্থেই সত্য। এই কারণে নয় যে, অমুক অমুক একে সত্য বলেছেন। তাই দ্বীন সম্পর্কে জানার জন্য আমাদের প্রচেষ্টাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়া উচিৎ।

তৃতীয়ত, এই মানহাজের আরেকটি অংশ হলো আহলে বিদা’আত এর সাথে তর্কে লিপ্ত না হওয়া। যদি আমরা এটা স্বীকার করে নেই যে, এসব বিষয়ে যাদের সাথে আমরা দ্বন্দ্বে লিপ্ত তারা আহলুস সুন্নাহ এর অন্তর্ভুক্ত নয়, তবে আমাদের উচিৎ তাদের সাথে বিতর্ক না করে পরিষ্কারভাবে ও উত্তম আচরণের মাধ্যমে (যা তাদের আচরণে প্রকাশ পায় না) সত্যকে উপস্থাপন করা ।

চতুর্থত, সত্য সুস্পষ্ট হওয়া শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। আমরা যদি সত্যের উপর থাকি, সত্য প্রকাশিত হওয়ার ব্যাপারে আমাদের নিশ্চিন্ত থাকতে হবে, কারণ আল্লাহর ক্বদরের মাধ্যমে মিথ্যা বিলুপ্ত হবে এবং সত্য প্রতিষ্ঠিত হবে।

উপরিল্লিক্ষিত বক্তব্যের প্রমাণ হলো খালিদ আল-আনবারি এর লেখা বইয়ের বিপক্ষে আল-লাজনাহর দেয়া সর্বশেষ ফাতওয়া এবং এই দলের বিপক্ষে আসা একের পর এক প্রমাণের অংশ। উল্লেখযোগ্য প্রমাণাদির মধ্যে রয়েছেঃ

১। সাইদ কুতুবের বিরুদ্ধে শায়খ রাবি আল-মাদখালি এর লিখা বইয়ের বিপক্ষে শায়খ বকর আবু যাইদ এর চিঠি, যেখানে তিনি মৃত ব্যক্তির কথাকে বিকৃত করার মাধ্যমে নিজের আমল বরবাদ না করার ব্যাপারে শায়খ রাবিকে সতর্ক করেছেন।

২। সাইদ কুতুব এবং আবদুর রাহমান আবদুল খালিক এর বিরুদ্ধে শায়খ রাবির কার্যক্রমের বিপক্ষে শায়খ ইবনে জিবরীন এর ফাতওয়া, যেখানে তিনি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, সাইদ কুতুবকে মৃত্যুদণ্ড না দেয়ার ব্যাপারে শায়খ ইবনে বাজ সুপারিশ করেছিলেন।

৩। সাইদ কুতুবের ব্যাপারে শায়খ আলবানীর সেই টেপ যেখানে তিনি বলেছেন যে, সাইদ কুতুবের তাফসীরের অংশবিশেষ আল্লাহর পক্ষ থেকে অনুপ্রাণিত, এবং প্রত্যেক সালাফির মা’আলিম ফিত-তারিকের একটি অধ্যায় পড়া উচিৎ। এবং শায়খ আল-আলবানীকে যখন শাইখ রাবি আল-মাদখালির লিখিত সেই বইয়ের একটি অনুচ্ছেদ পড়ে শোনানো হয় তখন শায়খ আলবানীর মন্তব্য করেন যে, সাইদ কুতুবের বিরুদ্ধে শায়খ রাবির এই বই হচ্ছে জাহালত বা অজ্ঞতা।

৪। কুয়েতি তালিবে ইলমদের ব্যাপারে শায়খ ইবনে বাজ এর প্রশংসা।

৫। শায়খ আবদুর রাহমান আবদুল খালিক এর লিখা ‘আস-সীরাত’ বইয়ের ব্যাপারে শায়খ ইবনে বাজ এর প্রশংসা, যেখানে তিনি বইটির প্রকাশ ও বিতরণের আহ্বান জানান যদিও বইটিতে তাওহীদ আল-হুকুম নামে একটি অধ্যায় রয়েছে।

৬। মুরাদ শুকরির লিখা ‘ইহকাম আত-তাকরীর’ বইয়ের বিপক্ষে আল-লাজনাহর ফাতওয়া, যেখানে বলা হয়েছে এ বইটি বিপথগামী মুরজিআদের বিশ্বাসকে সালাফ ও আহলুস সন্নাহ এর বিশ্বাস হিসেবে প্রচার করছে, এবং সে ফাতওয়ায় বইটির বিতরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

৭। খালিদ আল-আনবারীর বইয়ের বিপক্ষে আল-লাজনাহর সর্বশেষ ফাতওয়া।

৮। আল-ফিরকা আন-নাজিয়া এবং আত-তায়িফা আল-মানসুরা এর মধ্যে শায়খ সালমান আল-আওদা যে পার্থক্য করেছেন সে ব্যাপারে শায়খ আল-আলবানীর একমত হওয়া। এই বিষয়টি, যা একটি ইজতিহাদি বিষয়, শায়খ রাবি ব্যবহার করে শায়খ সালমানের বিরুদ্ধে পুরো একটি বই লিখেছেন।

৯। উলামা এবং দাঈদের উপর এই দলটির আক্রমণের বিরুদ্ধে শায়খ বকর আবু যাইদের লিখা বই ‘আল-ইনসাফ’।

এবং আরও অনেক প্রমাণ রয়েছে, যা আমি ইতোমধ্যে দীর্ঘ হয়ে যাওয়া ইমেইলটিকে আর দীর্ঘায়িত না করার জন্য উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকলাম।

এই দলটি আসলেই তেমন যেমনটা তাদের ব্যাপারে বর্ণনা করা হয়েছেঃ

দাঈদের ব্যাপারে তারা খাওয়ারিজ; শাসকদের ব্যাপারে তারা মুরজিয়া; ইসলামী জামাআহ তথা দলগুলোর ব্যাপারে তারা রাফেযী; এবং ইহুদী, খৃস্টান ও কাফিরদের ব্যাপারে তারা কাদরিয়্যা।

 

যেসকল ভাই ও বোনেরা এই ফিতনায় পড়ে গেছেন, আমি তাদের অনুরোধ করবো তারা যেন তাদের কিছু কিছু অবস্থান পুনঃবিবেচনা করেন এবং এসব ভ্রান্ত ধারণা থেকে ফিরে আসেন। অন্যদিকে, যেসকল ভাই ও বোনেরা এই ফিতনা থেকে আল্লাহর ইচ্ছায় হেফাজতে আছেন, আমি তাদের অনুরোধ করবো তাদের ভাইদের ভুলে আনন্দিত না হয়ে আল্লাহ যে তাদের সঠিক পথে পরিচালিত করেছেন সে ব্যাপ্যারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য, এবং আমাদের ভাইদের সত্যের পথে ফিরিয়ে আনতে জ্ঞান ও সংযমের সাথে এই সুযোগকে কাজে লাগানোর জন্য। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, এসকল ভাই বোনদের সিংহভাগই তাওহীদ ও সুন্নাহ এর একনিষ্ঠ অনুসারী, যারা ফিতনাগ্রস্ত হয়েছেন এই ভেবে যে, তারা আল্লাহ প্রদত্ত ধর্মকে প্রতিরক্ষা করছেন। কিন্তু আসলে তারা একটি সিংহাসনকে প্রতিরক্ষা করছেন, যা তাদের বা তাদের নেতাদের ব্যাপারে কেয়ারই করে না। আল্লাহ তা’আলা আমাদের সীমালঙ্ঘনকে ক্ষমা করে দিন এবং তাঁর সত্যের দিকে ফিরিয়ে আনুন।

আপনাদের ভাই
আলি আত-তামিমি

বিদ্রঃ সাম্প্রতিককালে আল-লাজনাহ দ্বারা তিরস্কৃত বইটি আলী আল-হালাবী তার ‘আত-তাহজীর মিন ফিতনাতুত তাকফির’ বইয়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছিলো। ডঃ আবু রুহাইয়াম তার সাথে বিতর্ক (সেই কুখ্যাত টেপ যেখানে আলী আল-হালাবীকে চিৎকার করতে শোনা যায়) করার পর ‘তাহজীর আল-উম্মাহ মিন তা’লিকাত আল-হালাবী আলা আক্বওয়াল আল-আইম্মা’ (আলেমগণের বক্তব্যে আল-হালাবী কর্তৃক যোগ করা মন্তব্যের ব্যাপারে উম্মাহর জন্য সতর্কবাণী) নামে একটি ছোট পুস্তিকা লিখেন।

আলী আল-হালাবী আত্মপক্ষ সমর্থন করে দুইটি সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ এবং ‘সাইহা নাজীর বি খাতিরুত তাকফির’ নামে একটা দীর্ঘ বই রচনা করেন, যেখানে তিনি নিম্নোক্ত স্বীকারোক্তি দেনঃ

১। পৃষ্ঠা ৬ এর ফুটনোটে তিনি বলেন যে, তার মূল বই “তাহজীর আল-উম্মাহ” বিভিন্নজন পর্যবেক্ষন করেছেন, যাদের মধ্যে মধ্যে “আল-আখ আশ-শায়খ মুরাদ শুকরি” একজন।

মজার ব্যাপার হলো, গত বছর যখন আল-লাজনাহ থেকে মুরাদ শুকরির বই ‘ইহকাম আত-তাকরির’ এর বিপক্ষে ফতোয়া এলো এবং বইটিকে আহলুস সুন্নাহ ও সালাফদের আকিদার ছদ্মবেশে মুরজিআদের বিশ্বাস প্রচারকারী বলা হলো এবং নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো, আলী আল-হালাবী তখন মন্তব্য করলেন যে, বইটা ছাপিয়ে এবং এই অজ্ঞাত (মুরাদ শুকরি) লোককে প্লাটফর্ম তৈরি করে দিয়ে তিনি ভুল করেছেন। কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, আলী আল-হালাবী শুধু বইটা ছাপানইনি, বরং বইটার পক্ষে সাফাই গেয়ে প্রশংসাও লিখেছেন। উপরন্তু, মুরাদ শুকরিকে বইটা পর্যালোচনা করতে দেয়ার ব্যাপারে তার নিজের স্বীকারোক্তি থেকে প্রশ্ন থেকে যায় –

যদি মুরাদ শুকরি অজ্ঞাত লোকই হয়ে থাকেন, তিনি কেন আলী আল-হালাবীর বই পর্যালোচনা করছেন? এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, তাদের সম্পর্ক আরও গভীর।

২। আল-লাজনাহ দ্বারা তিরস্কৃত আল-আনবারীর বই ‘আল-হুকুম বি গাইরি মা আনজালাল্লাহ ওয়া উসূল আত-তাকফির’ (আল্লাহ যা নাজিল করেছেন তা ব্যতীত অন্যকিছু দিয়ে বিচার করা এবং তাকফির করার মূলনীতি), এর ব্যাপারে আল-হালাবী তার ‘সাইহা আন-নাজির’ বইয়ে (পৃষ্ঠা ৫২) লিখেন,
“আমাদের মেধাবী ভাই, আবু মুহাম্মাদ খালিদ ইবনে আলী আল-আনবারীর লিখা ‘আল-হুকুম বি গাইরি মা আনজালাল্লাহ ওয়া উসূলুত তাকফির’ একটি উপভোগ্য বই এবং আল্লাহ তা’আলা এতে ভাইকে সফলতা দান করুন।” তারপর সেই পৃষ্ঠার ফুটনোটে আল-হালাবী লিখেন, “এটা খুবই অসাধারণ, উপকারী এবং উপভোগ্য বই, যেখান থেকে আমি আত-তাহজীর এ একাধিকবার উদ্ধৃতি দিয়েছি।”

৩। পৃষ্ঠা ৯৩ এর নোটে, বর্তমানে বিলুপ্ত আল-মুসলিমুন পত্রিকায় প্রকাশিত (২৬ জিলক্বদ, ১৪১৭ হিজরি, ইস্যু নং- ৬৩৫) কালিমাত হক্ব উরিদা বিহা বাতিল (মিথ্যার জন্য ব্যবহৃত একটি সত্য শব্দ) নামে আব্দুল্লাহ আস-সাবত এর লিখা সম্পাদকীয়টি আল-হালাবী সম্পূর্ণ উদ্ধৃত করেন। তিনি আব্দুল্লাহ আস-সাবতকে “আশ-শায়খ আব্দুল্লাহ আস-সাবত, আল্লাহ তাকে সফলতা দান করুন” বলে সম্বোধন করেন।
মূল বিষয় হচ্ছে আব্দুল্লাহ আস-সাবত সম্পাদকীয়টি লিখেছিলেন শায়খ আবদুর রাহমান আবদুল খালিক এর ‘আস-সীরাত’ বইটির বিপক্ষে। “মিথ্যার জন্য ব্যবহৃত একটি সত্য শব্দ”, এই উক্তি আলী ইবনে আবি তালিব রাদিয়াল্লাহ আনহু এর। একথা তিনি বলেছিলেন যখন খারেজিরা কোরআনের একটি আয়াত উচ্চারণ করছিলো, এবং বলছিলো বিধানদাতা কেবল আল্লাহ। খারেজিরা একথা বলেছিলো যখন আলী ও মুয়াবিয়া (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) এর মধ্যকার বিবাদ মীমাংসা করার দায়িত্ব মানুষের উপর অর্পণ করা হয়। সুতরাং, আবদুর রাহমান আবদুল খালিককে এ লেখায় আস-সাবত আদি খারেজির সাথে তুলনা করেছেন। যাহোক, আমরা সবাই জানি যে, শায়খ ইবনে বাজ (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর মৃত্যুর পূর্বে ‘আস-সীরাত’ বইটির প্রশংসা করেন এবং বইটির ছাপা ও বিতরণের আহ্বান জানান। এর মানে এটাই দাঁড়ায় যে, আব্দুল্লাহ আস-সাবত এর যুক্তি অনুযায়ী ইবনে বাজ (রাহিমাহুল্লাহ) নিজে একজন খারেজি, অথবা আব্দুল্লাহ আস-সাবত এই বিষয়ে সুন্নাহ এর উপর ছিলেন না।

আমি এই কথাগুলো লিখছি, কারণ কয়েক বছর আগে এই দলের এক উগ্র অনুসারী এই বইটা এবং আলী আল-হালাবী এর বইয়ের বরাত দিয়ে তাদের অবস্থানকে সমর্থন করার চেষ্টা করে। আমি সেই সময়ই বলেছিলাম যে, দুইটা বই-ই আলেমগণের বক্তব্যকে বিকৃত করেছে, আলহামদুলিল্লাহ। আর আল-লাজনাহর ফাতওয়া বের হয়েছে মূল বইটার বিপক্ষে এবং দ্বিতীয় বইটাও আহলুস সুন্নাহ এর দ্বারা তিরস্কৃত হওয়া শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। যদিও ডঃ আবু রুয়াইয়াম এর দুইটি প্রবন্ধ তাঁদের জন্য যথেষ্ট, যারা অন্ধ অনুসরণকারীদের বক্তব্যকে নয়, বরং কোরআন ও সুন্নাহকে উপলব্ধি করে অনুসরণ করেন।

 

(মাদখালিদের ব্যাপারে একটি অনলাইন ফোরামের অ্যাডমিনদের প্রতি লিখিত শাইখ আলি আত-তামিমি এর একটি ইমেইল, যা পরে প্রকাশ করা হয়েছিলো, তা থেকে অনুদিত)

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *