মাদখালি – সালাফি না, মুরজিয়া

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ
সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার, সালাত ও সালাম বর্ষিত হোন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর।

সালাফিয়্যার ছদ্মবেশে সমসাময়িক ইরজা আন্দোলন যে আহলুস সুন্নাহ এর আকিদার উপর আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে, তার বিপক্ষে আমি এই ফোরামে বিগত কয়েক বছর যাবত বিভিন্ন সময় কলম ধরেছি। বস্তুত, গত বছর মুরাদ শুকরির লিখা বইয়ের বিপক্ষে আল-লাজনাহর একটি ফাতওয়ায় বলা হয় যে, এই দলটি (যারা নিজেদের জর্ডানের সালাফী বলে পরিচয় দেয়) আকিদায় ইরজা ধারন করে।

Continue reading

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী কি কাফির?

সেকুলারিস্ট বা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী কি কাফির?

জবাব দিয়েছেন- শায়খ ড. হামিদ বিন আব্দুল্লাহ আল-‘আলি।

প্রশ্ন: আমরা একই অনলাই্ন মেসেজ বোর্ডে (ফোরামে) আরাফাতের (ইয়াসির আরাফাত) কুফরির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছিলাম। তখন একজন প্রশ্ন তুললেন এবং এ প্রশ্নটি বারবার উত্থাপিত হয়। তাই আমরা আশা করি যে আপনি আমাদের জন্য এ প্রশ্নের উত্তর দিবেন। বারাকাল্লাহ্।

(প্রশ্নটি হল) ইয়াসির আরাফাত কি কাফির? সব ধরনের কুফরের ক্ষেত্রেই কি উক্ত ব্যক্তির অবস্থার দিকে তাকাতে হবে? এবং তার উপর তাকফিরের কোন প্রতিবন্ধকতা আছে কি না তা দেখতে হবে? তার উপর কেউ হুজ্জাহ প্রতিষ্ঠা করেছে কি না আমাদের কি সেটার জন্য অপেক্ষা করতে দেখতে হবে? আর সকল কুফরের বেলায়ই কি এটি করা শর্ত?

Continue reading

শাইখ ইবনে বায এবং শাইখ আল-আলবানীকে নিয়ে শাইখ আবু কাতাদার মতামত

আল-আলবানীঃ

…শাইখ মুহাম্মাদ নাসির উদ্দিন আলবানী (রহিমাহুল্লাহ)-এর ব্যাপারে বলা যায়, এই মানুষটি হলেন এক ভিত্তি স্বরূপ – কিংবা এমন বলা ভালো যে তিনি ছিলেন আধুনিক সময়ে ইসলামী ইলম অর্জনের পুনর্জাগরনের দুর্গসমূহের একটি দুর্গ বিশেষ করে হাদীসশাস্ত্র, এবং ফিকহ ও মানহাজের আন্দোলনে। তাঁকে নিয়ে অনেক বই লেখা হয়েছে, এবং অন্যান্য অনেকের সাথে তাঁর নাম উল্লেখ করেছে।

শাইখের ইন্তেকালের পর আমি দুইটি লেকচার দিয়েছিলাম যেখানে আমি শাইখের বৈশিষ্ট্যগুলো স্পষ্ট করেছি – কোন বিষয়গুলো উনার মধ্যে উত্তম ছিল আর কোন বিষয়ের জন্য উনার বিরুদ্ধে প্রশ্ন আনা যেতে পারে। আমি তাদের মত না যারা তাঁর থেকে একেবারেই মুখ ফিরিয়ে নেয়  এবং আমি তাদেরও মত না যারা অন্ধভাবে তাঁর অনুসরণ করে। বরং শাইখ এর ব্যাপারে আমি এটাই বলি যা আয-যাহাবি বলেছিলেন ইবনে হায্‌মকে নিয়েঃ

Continue reading

সংশয়: ইমাম ছাড়া জিহাদ নেই?

লেখকঃ শাইখ ড. হাকিম আল মুতাইরি

প্রশ্নঅনেকে বলে থাকে যে, “ইমাম ও ঝান্ডা (রায়াহ) ছাড়া কোন জিহাদ নেই, এদুটো ব্যাতীত যা কিছু হচ্ছে তা হল ফিতনার লড়াই এবং সেগুলোতে যারা মারা যাবে তারা শহীদ হবে না৷ এবং শত্রুরা যদি কোন মুসলিম ভূমিতে আক্রমণ করে বসে তাহলে তাদেরকে প্রতিহত করার ক্ষমতা না রাখলে তখন তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা মুসলমানদের জন্য হারাম৷”

তাহলে শরীয়তের মূলনীতি ও ফুকাহায়ে কেরামের মত অনুযায়ী এ মতটির বিশুদ্ধতার ব্যাপারে আপনাদের সম্মানিত রায় কী?

Continue reading

মুরতাদ শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ব্যাপারে সালাফগণের অবস্থান – সত্যিকারের খারেজি কারা?

ইমাম নববী রাহ: বলেন:

আল-ক্বাদ্বি ‘ইয়াদ্ব বলেছেন, ‘উলামাদের ইজমা হল নেতৃত্ব (ইমামাহ) কখনো কাফিরের উপর অর্পণ করা যাবে না, আর যদি (কোন নেতার) তার পক্ষ থেকে কুফর প্রকাশিত হয় তবে তাকে হটাতে হবে… সুতরাং যদি সে কুফর করে, এবং শারীয়াহ পরিবর্তন করে অথবা তার পক্ষ থেকে গুরুতর কোন বিদ’আ প্রকাশিত হয়, তবে সে নেতৃত্বের মর্যাদা হারিয়ে ফেলবে, এবং তার আনুগত্য পাবার অধিকার বাতিল হয়ে যাবে, এবং মুসলিমদের জন্য আবশ্যক হয়ে যাবে তার বিরোধিতা করা, বিদ্রোহ করা, তার পতন ঘটানো এবং তার স্থলে একজন ন্যায়পরায়ণ ইমামকে বসানো – যদি তারা (মুসলিমরা) সক্ষম হয়। যদি একটি দল (তাইফা) ব্যাতীত অন্যান্য মুসলিমদের পক্ষে এটা করা সম্ভব না হয়, তবে যে দলের (তাইফা) সক্ষমতা আছে তাদের জন্য এই কাফিরের (শাসকের) বিরোধিতা করা, বিদ্রোহ করা এবং তার পতন ঘটানো অবশ্য কর্তব্য। আর যদি শাসক কাফির না হয়ে শুধুমাত্র বিদ’আতী হয় তবে, এটা বাধ্যতামূলক হবে না, যদি তারা (তাইফা) সক্ষম হয় তবে তারা তা করবে। আর যদি কেউই সক্ষম না হয় এ ব্যাপারে সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়, তবে বিদ্রোহ করা আবশ্যক না, তবে তখন মুসলিমদের সেই ভূমি থেকে অন্য কোথাও হিজরত করতে হবে, নিজেদের দ্বীনের সংরক্ষণের জন্য।”[সাহিহ মুসলিম বি শারহ আন-নাওয়াউয়ী, ১২/২২৯]

 

হাফিয ইবনে হাজার আল আসকালানী রাহ: বলেন:

“আদ দাউদী বলেছেন, “উলামাদের ইজমা হল, অত্যাচারী (মুসলিম) শাসককে যদি ফিতনাহ (যুদ্ধ) ব্যতিত অপসারণ করা সম্ভব হয় তবে তা করা ওয়াজিব; কিন্তু যদি এতে ফিতনাহ (যুদ্ধ)শুরু হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে তাহলে ধৈর্য ধারণ করা বাধ্যতামূলক। এবং কোন কোন আলিমগণের দৃষ্টিভঙ্গি এমন যে, ফাসিক ব্যক্তিও শাসন কার্যের জন্য অনুমোদিত নয় যদি সে পূর্বে থেকেই ফাসিক হয়ে থাকেন। কিন্তু যদি এমন হয় যে, তাকে শাসক বানানোর সময় তিনি ফাসিক ছিলেন না পরবর্তীতে ফিস্‌কে লিপ্ত হয়েছেন তবে এমন ফাসিক শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার ব্যাপারে আলিমগণ মতভেদ আছে। এক্ষেত্রে সঠিক মত হলো তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ নিষিদ্ধ।

কিন্তু যে শাসক ‘কুফর’ এ লিপ্ত হন তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ওয়াজিব।” (ফাতহুল বারী ১৩/১০)

 

ইবনে হাজার রাহ: সালাফগণ থেকে বর্ণনা করেন:

“(তাওহীদীবাদী মুসলিম)ফাসিক শাসকের আনুগত্য এবং তার পক্ষ নিয়ে জিহাদ করা বৈধ এ ব্যাপারে ফকিহগণের ইজমা’ আছে। তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা এবং অনেকের রক্ত ঝরানোর চেয়ে বরং তার আনুগত্য করাই উত্তম। শাসকদের থেকে সুস্পষ্ট কুফ্‌র প্রকাশ পাওয়া ব্যতিত এক্ষেত্রে আনুগত্যের ব্যাপারে ফকিহগণ কোন ছাড় দেননি। অপরদিকে শাসকের থেকে কুফর প্রকাশিত হলে সেই কুফরের ওপর তার আনুগত্য করা যাবে না, বরং তার বিরুদ্ধে জিহাদ করা প্রত্যেক সক্ষম ব্যক্তির উপর ওয়াজিব। (ফাতহুল বারী ৯/১০)

যে শাসকেরা ইয়াহুদী-খৃষ্টানদের থেকে জিযয়াহ আদায় করেনা, এবং কুফ্‌ফারদের বিরুদ্ধে জিহাদকে নিষিদ্ধ করে তাদের ব্যাপারে শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ রাহঃ বলেছেন –এসব কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানো যেকোন দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে, তারা যদি এসব কাজের আবশ্যিক হওয়াকে স্বীকারও করে, তবুও। এবং এ ব্যাপারে এর বিপরীত কোন মত আমার জানা নেই।(মাজমু আল-ফাতাওয়া, ২৮/৫০৩,৫০৪)

সুতরাং মুরতাদের শাসকের ব্যাপারে অবস্থান স্পষ্ট।

এ সকল ফক্বিহগণের বক্তব্য থেকে সুস্পষ্টভাবে এটা পরিস্কার হলো যে, ‘ফাসিক’ যালিম শাসক এবং মুবতাদি (বিদাতি) শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের মধ্যে ফকিহগণ পার্থক্য করেছেন। তার মধ্যে কিছু ফকিহ বিদ্রোহের ক্ষেত্রে শর্ত দিয়েছেন ‘ফিতনাহ ব্যতিত অপসারণ করার সক্ষমতা”।

যেমন ক্বাযী ইয়ায রাহ: বলেছেন; “আর যদি শাসক কাফির না হয়ে শুধুমাত্র বিদ’আতী হয় তবে, এটা বাধ্যতামূলক হবে না, যদি তারা (তাইফা) সক্ষম হয় তবে তারা তা করবে।”

এবং আদ দাউদী রাহ: বলেন, “উলামাগণ এ ব্যাপারে একমত যে, জালিম শাসককে যদি ফিতনা (যুদ্ধ) ব্যতিত অপসারণ সম্ভব হয় তবে তা ওয়াজিব হবে।”

কিন্তু যে শাসক কুফরে লিপ্ত তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহকে তারা শুধু অনুমোদনই করেননি বরং তাদের ইজমা হল (অর্থাৎ তাঁরা ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে), এমন শাসককে অপসারণ করতেই হবে প্রয়োজনে রক্ত ঝড়িয়ে হলেও।

যেমন ইবনে হাজর রাহিঃ বলেছেন, কিন্তু যে শাসক ‘কুফর’ এ লিপ্ত হন তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ওয়াজিব।’, এবং ‘শাসকের থেকে কুফর প্রকাশিত হলে সেই কুফরের ওপর তার আনুগত্য করা যাবে না, বরং তার বিরুদ্ধে জিহাদ করা প্রত্যেক সক্ষম ব্যক্তির উপর ওয়াজিব।’

এবং ক্বাযী ইয়ায রাহ: বলেছেন, যদি নির্দিষ্ট জামাত ছাড়া অন্যদের জন্য বিদ্রোহ করা সম্ভব না হয় তবে সে জামাতের উপর ওয়াজিব হবে উক্ত কাফির শাসকের বিরুদ্ধে জিহাদের ঝান্ডা উত্তোলন করা এবং সে (কাফির) শাসককে অপসারণ করা।” ‘যদি একটি দল (তাইফা) ব্যাতীত অন্যান্য মুসলিমদের পক্ষে এটা করা সম্ভব না হয়, তবে যে দলের (তাইফা) সক্ষমতা আছে তাদের জন্য এই কাফিরের (শাসকের) বিরোধিতা করা, বিদ্রোহ করা এবং তার পতন ঘটানো অবশ্য কর্তব্য, ওয়াজিব

সুতরাং

যে সকল মুজাহিদীনগণ এমন কাফির-তাগুত শাসকের বিরুদ্ধে জিহাদের ঝান্ডা উত্তোলন করেন তাদেরকে ‘খাওয়ারিজ’ বলা কি ন্যায়সঙ্গত? অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রকৃত খাওয়ারিজদের সম্পর্কে এভাবে বলেছেন; “তারা ইসলামের অনুসারীদেরকে হত্যা করবে, এবং মুর্তিপূজারীদেরকে ছেড়ে দিবে” [সহিহ বুখারি]

আজ কারা তাওহীদের সৈনিকদেরকে হত্যা করছে, বন্দী করছে, তাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি করছে, নির্যাতন করছে, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, তাদেরকে গ্রেফতার করে জায়নিষ্ট এবং ক্রুসেডারদের কাছে হস্তান্তর করছে?

আজ কারা বিশ্বব্যপী লাখো মুসলিমদের হত্যাকান্ডে ক্রুসেডারদেকে সহায়তা করছে? এবং মুহাম্মাদে আরাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আরব উপদ্বীপে ক্রুসেডারদেরকে ঘাঁটি গাড়তে দিচ্ছে? তাদের আশ্রয় প্রদান অব্যাহত রেখেছে?

আজ কারা কেবল মুশরিকদের ছেড়েই দিচ্ছে না, বরং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আরব উপদ্বীপে অবস্থান করা তারা প্রতিটি জায়নিষ্ট ও ক্রুসেডারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করছে?

আজ কারা কারা হোয়াইট হা্উজের কুফফারদের মানোতুষ্টির জন্য মুসলিমদেরকে হত্যা করছে?

কারা মুজাহিদীনের বিরুদ্ধে ক্রুসেডারদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করছে?

কারা জায়নিষ্ট ও ক্রুসেডারদের তৃষ্ণা মেটাতে যে কোন ব্যক্তিকে হত্যা করতে পারে, আবার একইসাথে নিজেদের মুসলিম দাবি করার দুঃসাহস দেখাতে পারে?

আজ কারা মুসলিমদের থেকে জিযয়া গ্রহণ করে জায়নিষ্ট ও ক্রুসেডারদেরকে অনুদান দিচ্ছে?

কারা ক্রুসেডারদের পাশে নিজেকে নিরাপদ ভাবতে পারে আর মুজাহিদদের পাশে অনিরাপদ মনে করে?

ভাবুন, চিন্তা করুন, তাহলে হয়তো আপনার কাছে পরিষ্কার হবে কারা আসল খাওয়ারিজ…

গণতন্ত্রের মাধ্যমে কি ইসলামী বিপ্লব সম্ভব?

‘বিষয়টি খুবই গুরুত্বর্পূণ, এবং এ ব্যাপারে যথেষ্ট চিন্তা ও গবেষনার প্রয়োজন। এখানে যে বক্তব্যটি পেশ করছি তা মূলত জামায়াতে ইসলামীর সাথে ভালোভাবে যুক্ত দু’জন বিজ্ঞ ব্যক্তির মধ্যকার আলোচনা। তাঁরা জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কেই আলোচনা করেছেন। কিন্তু আমরা মনে করি যে, এি আলোচনাটির পরিধি ব্যাপক। এ বিষয়টি পাকিস্তানের সকল ইসলামী দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ; বরং এক দৃষ্টিকোণ থেকে গোটা পৃথিবীর ইসলামী দলসমূহের সাথেই বিষয়টি জড়িত। তুরস্কে রয়েছে একটি ইসলামী শক্তিশালী দল, তিউনিসিয়ায় ইসলামী একটি দল আধিক্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে, এ দিকে মিসরসহ অন্যান্য জায়গায় ইসলামী আন্দোলনের চেষ্ট চলছে। খোদ পাকিস্তানের এক অংশে ইসলামী দলগুলো বেশ শক্তি অর্জন করে ফেলেছে। এজন্য এ প্রশ্নের উপর যথেষ্ট চিন্তা-ভাবনার প্রয়োজন যে, পশ্চিমা গণতন্ত্রের মাধ্যমে (বাহ্যিক কিছু পরিবর্তন এনে ‘ইসলামী গণতন্ত্র’ নাম দিয়ে) কি ইসলামী বিপ্লব (অথবা ইসলামের বিজয়, শরিয়ত প্রতিষ্ঠা, নেযামে মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইত্যাদি) অর্জন করা সম্ভব? এ বিষয়ে আপনিও একটি মন্তব্য বলুন; আমরা ইনশাআল্লাহ ‘আল-বুরহান’-এর আগামী সংখ্যায় এ বিষয়ে আলোচনা করব।’ –  ড.মুহাম্মদ আমিন

Continue reading

দরবারী আলিমদের মতে তাকফির

আশ-শাইখ আল্লামা নাসির ইবনু হামাদ আল-ফাহাদ ফাক্কাল্লাহু আসরাহ বলেনঃ

শুনে রাখুন আমার মুসলিম ভাইয়েরা, অধিকাংশ আলিমরা দুঃখজনকভাবে তাকফিরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে মূলনীতি এতোদিন জানতেন না, তা হল যে ব্যক্তি এমন কোন কাজ করে যা তাকে ইসলামের গণ্ডী থেকে বের করে দেয় – সে কখনো শাসকদের একজন হতে পারে না। কারণ শাসকরা যে কুফর বা শিরকই করুক না কেন, তাদের তাকফির করা হলে আকাশ ভেঙ্গে পড়া এবং পর্বতমালা ধ্বসে পড়ার মতো অবস্থা হবে।

Continue reading

কুতুব ও কারদাবি – ড. তারিক আব্দুল হালিম

সাইয়্যিদ কুতুব রহঃ ও ইউসুফ আল-কারদাবি। ইখওয়ানুল মুসলিমীন এবং জামায়াতে ইসলামীর চিন্তাধারার সাথে এ দুটো নাম যুক্ত।

কিন্তু এ দুজনের চিন্তা কি সামঞ্জস্যপূর্ণ? দু’জনের চিন্তা কি মৌলিকভাবে এক, নাকি গুরুতর পার্থক্য বিদ্যমান? ইখওয়ান এবং জামাত কি সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তার অনুসরণ করে? নাকি কারদাবির?

বস্তুত সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তাকে ইখওয়ান-জামাতের সাথে ব্যপকভাবে যুক্ত করা হলেও বর্তমানে এ দুটী দল কোন ভাবেই সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তার অনুসরণ করে না। বরং তাদের ঘোষিত অবস্থান অনুযায়ী সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তা ‘তাকফিরি” এবং “চরমপন্থী”। অন্যদিকে সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তা অনুযায়ী বিচার করলে ইখওয়ান ও জামাত ব্যাপকভাবে জাহেলিয়্যাতের মধ্যে নিমজ্জিত।

Continue reading

ইউসুফ আল কারদাবিঃ তার পরিচয় ও চিন্তাধারার পর্যালোচনা

প্রত্যেক বিচ্যুতির একটি মূল থাকে।” আর আধুনিক সময়ের মর্ডানিস্ট এবং বিশেষ করে মডারেটদের বিচ্যুতির মূল হল এ ব্যক্তি – ইউসুফ আল-কারদাবি।

মর্ডানিস্ট বলুন কিংবা মডারেট বলুন আধুনিক সময়ের ফিরকাগুলো তাত্ত্বিক ও আদর্শিক ভাবে এক ব্যক্তির কাছে কৃতজ্ঞ। কাফিরের সংজ্ঞা, আল ওয়ালা ওয়াল বারা, হুদুদ, ফ্রি-মিক্সিং, সঙ্গীত, হাদীসের মনগড়া ব্যাখ্যা, কোন শার’ই বিধানকে বর্তমান সময়ে অপ্রযোজ্য ঘোষণা করা, ব্যাঙ্কিং, জিহাদ, আক্বিদাসহ ইসলামের যেসব বিষয়ে ক্রুসেডাও ও যায়নিস্টদের অ্যালার্জি আছে তার সবগুলোর ক্ষেত্রেই মর্ডানিস্ট ও মডারেট – দু দলই একজন ব্যক্তিকে কমন রেফারেন্স পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে।

Continue reading

মানবরচিত আইন দ্বারা বিচার: ছোট কুফর না বড় কুফর?

শায়খ আবু হামজা আল মাসরি

ডাউনলোড

সংশয়ঃ মুখমন্ডল হিজাবের অংশ নয়

মাওলানা আলী হাসান তৈয়ব

বর্তমান বিশ্বে হিজাব পশ্চিমা রাজনৈতিক নেতৃত্বের মাথাব্যথার বিষয়। তারা সাংস্কৃতিক আগ্রাসন হিসেবে চিহ্নিত করে হিজাবের প্রসারকে বাধাগ্রস্থ করতে নানা কৌশল ও প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে। এর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক ও নিকোলা সারকোজি, সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জ্যাক স্ট্র, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টসহ বহু রাজনীতি ও শিক্ষাবিদসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ পেশার লোক। Continue reading

সংশয়ঃ কুফরে লিপ্ত ব্যক্তির ব্যাখ্যার ওজরকে উপেক্ষা করা

শায়খ আবু কাতাদা আল ফিলিস্তিনি

মাদখালি-মুরজিয়াদের একটি মারাত্মক সংশয়ঃ
“সালাফরা মুতাজিলা শাসকদের তাকফির করেন নি, তাই আল্লাহ’র আইন প্রত্যাখ্যানকারীদেরকেও তাকফির করা যাবে না।”

খাওয়ারিজদের একটি মারাত্মক সংশয়ঃ
“কোনো প্রকার কুফরে আকবার পেলেই তাউইয়িল বা ব্যাখ্যার সুযোগকে অগ্রাহ্য করে ঢালাও তাকফির করতে হবে।” Continue reading

আগুন!

শায়খ নাসির বিন হামদ আল ফাহদ

ডাউনলোড

শায়খ সাথে পা ভাজ করে বসলেন। স্বভাবসুলভ গাম্ভীর্যের সাথে আমামাহ ঠিক করলেন। তারপর ধীরে ধীরে তাঁর চারপাশে বসে থাকা ছাত্রদের দিকে এক একে তাকালেন। তাঁরা বসে ছিল স্থির হয়ে, নিবিষ্ট মনে মাটির দিকে চোখ নামিয়ে – যেন তাঁদের মাথায় পাখি বসে আছে, আর একটু নড়াচড়াতেই উড়ে যাবে। শায়খ শুরু করলেনঃ Continue reading

শায়খ ইবনে বাজ: “কল্পনা বনাম বাস্তবতা!”

শায়খ আবু মুহাম্মাদ আইমান

ডাউনলোড

আমি কিছু মুসলমানকে শায়েখ ইবনে বাজের ফতোয়াকে প্রচার করতে শুনেছি- যিনি মুসলমানদের মসজিদে নামাজ পড়তে আহবান করেন। আবার ইজরাইলের সাথে ব্যবসাসহ অন্যান্য লেন-দেনকে বৈধ সাব্যস্ত করেন।

অতপর আমি ইজরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রাবীনের পক্ষ থেকে ইবনে বাজকে শুভেচ্ছা প্রদানের কাহিনী ও শুনেছি। আর এই ধরনের ব্যাক্তি থেকে এমন কান্ড প্রকাশ পাওয়ায় আমি তেমন আশ্চর্যও হইনি যেমনটা অনেক মানুষ হয়েছে। কারণ তার ক্ষেত্রেও আমার আদর্শ হল, ব্যাক্তির পদস্খলনকে কখনোই আকড়ে ধরা হবে না; যদিও অনেকেই তাকে বড় মনে করে থাকে। Continue reading

সংশয়ঃ ন্যায়পরায়ণ কাফের শাসক জালেম মুসলিম শা্সক অপেক্ষা উত্তম

– শাইখ আবূ মারিয়া আল কাহতানী

পিডিএফ ডাউনলোড

এই মাসআলাটা ইমাম আহমাদ রহঃ এর যুগে আলোচনায় উঠেনি। বরং এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠে হালাকু খাঁনের যুগে। শিয়া রাফেজী আলী ইবনে তাউস সর্ব প্রথম ব্যক্তি যে এই ব্যাপারে ফতওয়া প্রদান করেছে হালাকু খাঁনের সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে।

এই ব্যক্তি হচ্ছে আলী বিন তাউস আল আলাউয়ী। হালাকু খাঁ ৬৫৬ হিজরীতে বাগদাদে কিছু আলেমদেরকে একত্রিত করে এবং তাদের কাছে জালেম মুসলিম শাসক বনাম ন্যায়পরায়ণ কাফের বাদশাহর ব্যাপারে ফতওয়া জিজ্ঞাসা করে যে, তাদের মাঝে কে সর্বোত্তম? তখন উলামায়ে কেরাম উত্তর প্রদানে বিলম্ব করছিলেন। তখন শিয়া রাফেজী আলী বিন তাউসের উত্তর ছিল “ন্যায়পরায়ণ কাফের উত্তম।” Continue reading

সংশয়ঃ সাহাবী হাতিব বিন আবি বালতা’আ কাফিরদের সাহায্য করেছিলেন

 

পিডিএফ ডাউনলোড

তাওয়াগিতদের কুফর ঢেকে রাখার জন্য তাদের সর্বাধিক অনুগত সেনা মুরজিয়া সালাফিদের একটি নিকৃষ্ট যুক্তি/বিদ’আতি ব্যাখ্যা হলো-
“বদরি সাহাবি হাতিব ইবনে বালতা’আ রাদিঃ মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাফিরদের সাহায্য করেছেন (নাউজুবিল্লাহ) অথচ রাসুল সাঃ উনাকে কাফির বলেন নি তাই
আমেরিকা-ইজরায়েল ও অন্যান্য কাফিরদেরকে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক উপায়ে সাহায্য করা সত্ত্বেও সৌদি ও অন্যান্য সমগোত্রীয় (মুরতাদ) শাসকগোষ্ঠী  কুফরে লিপ্ত নয়।”

সুবহান’আল্লাহ! নিজেদের মিথ্যা ইলাহ’র কুফরকে গোপন করার জন্য এসকল জ্ঞানপাপী নব্য মুরজিয়ারা সাহাবিদের গায়ে কুফরের কালিমা লেপনের ক্ষেত্রেও সংকোচবোধ করে না। Continue reading

নব্য সালাফি ও বনি ইজরায়েলিদের মধ্যকার সাদৃশ্য!

শায়খ খালিদ আল হুসাইনান

পিডিএফ ডাউনলোড

কিছু আহলে ইলমের (যেমন আমাদের দেশের সরকারি সালাফি/আহলে হাদিস ‘আলেম’গণ) আকীদার বিষয়ে এবং বিদআতি ও পথভ্রষ্ট দলসমূহের প্রতিবাদ করার বিষয়ে খুব আগ্রহ ও গুরুত্ব।

অপরদিকে তিনি দেখেন, শাসক কুফর, শিরক ও ধর্মত্যাগে লিপ্ত, কিন্তু এতে তিনি স্বীয় দ্বীন ও আকীদার ব্যাপারে গোস্বা ও গায়রত প্রকাশ করেন না। Continue reading

সংশয়ঃ মুফতি তাকি উসমানির দারুল হারব-দারুল ইসলাম সংক্রান্ত সংশয়

মুফতি আব্দুল ওয়াহহাব (দা বা)

ডাউনলোড

দারুল ইসলাম ও দারুল হরবের মাসআলা ইসলামী শরীয়তের একটি বুনিয়াদি মাসআলা যার উপর আরো অসংখ্য মাসআলার ভিত্তি। ‘ফিকহ’ তথা ইসলামী আইন শাস্ত্রের সকল কিতাবেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এর আলোচনা রয়েছে এবং এর উপর ভিত্তি করে অসংখ্য অগণিত মাসআলা বর্ণিত হয়েছে।

Continue reading

সংশয়ঃ শায়খ আবু বকর জাকারিয়ার হাদীসের অর্থ ও জিহাদের সংজ্ঞায় ভ্রান্তি

 

পিডিএফ ডাউনলোড

শায়খ আবু বকর মুহাম্মাদ জাকারিয়ার একটি বয়ান। দেখুনঃ
https://www.youtube.com/watch?v=5qLEuTk1YHo

এখানে তিনি ২টি অপব্যখ্যা করেছেন…

এবং, চমৎকারভাবে নিজেকে নিজেই রদ্দ করেছেন… সকল সরকারি সালাফিদের কুযুক্তি তিনি নিজেই রদ্দ করে দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ! Continue reading

সংশয়ঃ খারেজিদের একটি প্রচলিত সংশয় – “যাদের বিরোধিতাকারী অনেক তারাই হকপন্থী”

পথভ্রস্ট খাওয়ারিজ আই এসের একটি অসার বক্তব্যের খন্ডন

শায়খ আবদুল্লাহ আল মুহাইসিনি

পথভ্রষ্ট খাওয়ারিজদের যুক্তি “IS হক্ব কারণ শত্রুরা তাদের বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে!”

খন্ডন করছেন – শাইখ আব্দুল্লাহ আল-মুহাইসিনি হাফিজাহুল্লাহ
.
জামাতুল বাগদাদির সদস্য এবং সমর্থকরা বলেঃ

আইসিস যদি হক্বের উপর না থাকে, তাহলে কেন আল্লাহ-স শত্রু কুফফার আইসিসের বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে। ওয়ারাকা বিন নাওফাল, রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বলেছিলেনঃ “ তুমি যে ধরণের বাণী পেয়েছো, এ ধরণের বাণী যখনই কেউ পেয়েছে, তার সাথে শত্রুতা করা হয়েছে”
. Continue reading

প্রচলিত তাবলীগ জামাতের উপর দেওবন্দের ফতোয়া

পিডিএফ ডাউনলোড

প্রচলিত তাবলীগ জামাতের উপর দেওবন্দের ফতোয়াঃ (ফতোয়া নং ৬৮৭৮৪)

“দারুল উলুম দেওবন্দের কোন আলিমই তাবলীগ বিরোধী নন। কিন্তু হ্যা, তাবলীগের অনেকে ভুল কথা বলেন এবং চরম ধরনের মত প্রকাশ করেন। যেমনঃ
Continue reading

ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহঃ কি খারেজি আলেম!!?

ভূমিকাঃ

হাল জমানার নব্য সালাফিরা বলে থাকে, শাসকের বিরোধিতা করাই হচ্ছে খারেজিদের স্বভাব। যারাই শাসকের বিরোধিতা করে তাদেরকে সরকারি সালাফিরা ঢালাও ভাবে খারেজি বলে ফতোয়া দেয়া শুরু করেন…

হোক সে শাসক কাট্টা কাফের কিংবা মুরতাদ…
Continue reading

আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের একটি আশ্চর্য বক্তব্যের পর্যালোচনা

সুরা আলে ইমরানের ১৬৭ নং আয়াতের আলোকে আহলে হাদিস (সরকারি সালাফি) ‘আলেম’ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের একটি আশ্চর্য বক্তব্য/ফতোয়ার পর্যালোচনা! Continue reading

মুরতাদ শাসকগোষ্ঠীর ব্যাপারে মুরজিয়া সালাফিদের বিভ্রান্তি- আরব আলেমদের বক্তব্যের আলোকে!

“মুসলিম দেশগুলোর বর্তমান শাসকরা কি মুসলিম?”

“মুরতাদ শাসকগোষ্ঠীর ব্যাপারে মুরজিয়া সালাফিদের বিভ্রান্তি- আরব আলেমদের বক্তব্যের আলোকে!”

– আরব আলেমদের বক্তব্যের আলোকে!

Continue reading

আলেমদের সাথে সৌদি সরকারের আচরণ!

পৃথিবীর সব থেকে বেশি আলেম যে দেশের জেলে বন্দী, তা হচ্ছে সৌদি আরব। কথাটা কতটুকু সত্যি এক মাত্র আল্লাহ তালা ভালো জানেন।

তবে ইসলামিক হিউম্যান রাইটস কমিশনের মতে সৌদির জেলে প্রায় ৩০,০০০ এর চেয়েও বেশি পলিটিকাল প্রিজনার আছে।

একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী তাদের জেলে প্রায় ৩৫৯ জন আলেম রয়েছেন। আসুন সেই সব আলেমদের মধ্য থেকে কয়েক জন সমন্ধে কিছু জেনে নেই-
. Continue reading

নব্য সালাফি আলেমদের ‘জিহাদ সংক্রান্ত’ সকল সংশয়ের জবাব একত্রে…

সরকারি সালাফি আলেমদের সকল সংশয়ের জবাব একত্রে…

আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ, মুজাফফর বিন মহসিন, সাইফুল্লাহ মাদানি, মতিউর রহমান মাদানি, আমানুল্লাহ মাদানি, আসাদুল্লাহ গালিব প্রমুখ বিক্রীত “সরকারি সালাফি” দের উথাপিত খোড়া ও ভঙ্গুর যুক্তিসমূহের খন্ডনে বিশদ আলোচনা করেছেন মুহতারাম শায়খ আবু ইয়াহিয়া আহমাদ নাবিল হাফিজাহুল্লাহ! Continue reading

নব্য সালাফি সম্প্রদায় এবং শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (রঃ)’র মানহাজের পার্থক্য

বর্তমান যুগের মুরতাদ শাসকদের ব্যাপারে সরকারি সালাফি / আহলে হাদিস সম্প্রদায় কি শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (রঃ) এর অনুসরণ করেন?

নাকি কোন মনগড়া ইরজায়ি আক্বিদা পোষণ করেন?

চলুন, শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহ্‌হাব এর বক্তব্য জেনে আমরা যাচাই করে নেই। Continue reading

ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ? – ৬

ভূমিকা ও প্রথম পর্ব  | দ্বিতীয় পর্ব  | তৃতীয় পর্ব  | চতুর্থ পর্ব  | পঞ্চম পর্ব

খন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গির রহঃ পৃষ্ঠা ৪৯ এ লিখেছেন-

রাষ্ট্রের বিদ্যমানতা ও রাষ্ট্রপ্রধানের অনুমতি বা নির্দেশ জিহাদের বৈধতার শর্ত বলে উল্লেখ করে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন:
الإمام جنة يقاتل من ورائه
“রাষ্টপ্রধান ঢাল, যাকে সামনে রেখে যুদ্ধ পরিচালিত হবে।”
(ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ, পৃষ্ঠা ৪৯)

Continue reading