গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে উলামায়ে দেওবন্দ

পশ্চিমাদের বানানো গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কখনো  ইসলাম কায়েম হবে না। যেমনিভাবে কখনো পেশাবের মাধ্যমে ওযু হবে না। মোটকথা, নাপাকের মাধ্যমে যেমনিভাবে, পবিত্রতা হাসিল হবে না তেমনিভাবে, অনৈসলামিক ও পশ্চিমাদের বানানো কুফরী গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেও কখনো ইসলাম কায়েম হবে না। যখন দুনিয়ায় আল্লাহ তায়ালার দ্বীন বিজয়ী হবে তখন তা সেই একটি পদ্ধতিইে হবে যে পদ্ধতি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গ্রহণ করেছেন।

(মুফতি নিযামুদ্দিন শামযায়ী রাহিমাহুল্লাহ)

গণতন্ত্র এমন একটি স্বতন্ত্র মতাদর্শ, জীবনব্যবস্থা তথা দ্বীন যা ইসলামের সাথে মৌলিকভাবে সাংঘর্ষিক। আদর্শিক ও প্রায়োগিকভাবে গণতন্ত্র কুফর ও শিরক। গণতন্ত্রের মাধ্যমে কোনভাবেই ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব না।যদিও পরিস্থিতি বিবেচনায় ক্ষেত্রেবিশেষে তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ গণতন্ত্রকে অনুমোদন দিয়েছেন বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা করে, কিন্তু সাধারণত ঐতিহাসিকভাবে উলামায়ে দেওবন্দ গণতন্ত্রের বিরোধিতা করে এসেছেন। Continue reading

ভিসা ও আমান – শায়খ আবু মুহাম্মাদ আইমান হাফিযাহুল্লাহ

বর্তমান ভিসা কি শরয়ী আমান? মুসলিমদের দেশে ভিসা নিয়ে আসা কাফিরদের ব্যাপারে কি ধরা হবে যে তাদেরকে শরয়ী নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে? তাদের রক্ত কি হারাম বিবেচিত হবে? কাফিরদের দেশে ভিসা নিয়ে যাওয়া মুসলিমরা কি সেখানে হামলা করতে পারবেন? ৯/১১ এর মতো হামলা কি জায়েজ বলে গণ্য হবে? এই প্রশ্নগুলোসহ আরো অনেক প্রশ্নের উত্তর পাবেন শাইখ আবু মুহাম্মাদ আইমানের অন্যবদ্য এই রচনায়।

“ভিসার মাসআলাটি একটি আধুনিক মাসআলা। যার ব্যাপারে কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা বা পূর্ববর্তী ফুকাহাদের কোন বক্তব্য নেই। শুধু তাই নয়, কতিপয় সমসাময়িক ফকীহ ভিসাকে আমেরিকায় আক্রমণ পরিচালনার জন্য বাঁধা হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় বলে ফাতওয়া দিয়েছেন। যেমন শায়খ নাসির আল-ফাহদ (আল্লাহ তাকে কারামুক্ত করুন)

তাদের অনেকে আমেরিকায় ৯/১১ আক্রমণের জন্য খুশি হয়েছেন, সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং এ আক্রমণ যে পন্থায় করা হয়েছে, তা জানা সত্ত্বেও যারা এ আক্রমণ পরিচালনা করেছেন তাদের প্রশংসা করেছেন। যেমন শায়খ হামুদ বিন উকলা আশ-শুয়াইবি, শায়খ হুসাইন ওমর ইবনে মাহফুজ, শায়খ আবু মুহাম্মদ আলমাকদিসী, শায়খ আবু কাতাদা ও শায়খ আব্দুল্লাহ আর-রাশুদ।

এটি একটি মতবিরোধপূর্ণ ও গবেষণাগত মাসআলা। যিনি এতে তৃপ্তিবোধ করবেন না, তিনি তা গ্রহণ করবেন না। আর যিনি তৃপ্তিবোধ করবেন, তার জন্য তা গ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে।

ফিকহুল জিহাদে ফুকাহায়ে কেরামের এমন অনেক ইখতিলাফের উদাহরণ রয়েছে, যার ফলাফল ব্যাপক। যেমন মুশরিক ও মূর্তিপূজারীদের ব্যাপারে ইখতিলাফ, মুরতাদ নারীকে হত্যার ব্যাপারে ইখতিলাফ এবং এছাড়াও আরো বিভিন্ন মাসআলায় ইখতিলাফ।”

পিডিএফ ডাউনলোড করুন –

ডাউনলোড লিঙ্ক ১

ডাউনলোড লিঙ্ক ২

ডাউনলোড লিঙ্ক ৩

(ডাউনলোড না করেও এই লিঙ্ক থেকে পড়া যাবে )

তাহকিমুল কাওয়ানিন – আল্লামা মুহাম্মাদ ইবন ইব্রাহিম রহঃ

নব্য মুরজিয়াদের সংশয় নিরসনে আল্লাহর আইন ব্যাতীত অন্য আইন দিয়ে শাসন কুফর হবার ব্যাপারে সৌদির আরবের প্রথম গ্র্যান্ড মুফতি ও শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহহাবের নাতি আল্লামা মুহাম্মাদ ইবনু ইব্রাহিমের বিখ্যাত রচনা “তাহকিমুল কাওয়ানিন”।

“রবের বিধানের প্রতি আত্মসমর্পন ও আনুগত্য হল হল সেই এক ও অদ্বিতীয় সত্ত্বার বিধানের প্রতি আত্মসমর্পন ও আনুগত্য করা, যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন। যেমনিভাবে সৃষ্টি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সিজদাহ করতে পারে না, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করতে পারেনা, যেমনিভাবে কোন মাখলুকের ইবাদত করা হয় না – ঠিক তেমনিভাবে যিনি চির প্রশংসনীয়, সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়, দয়াময়, পরম করুনাময় তাঁর বিধান, তাঁর আইন ছাড়া অন্য কোন বিধানের প্রতি সৃষ্টি আনুগত্য, আত্মসমর্পন করতে পারে না, স্বীকৃতি দিতে পারে না, মেনে নিতে পারেনা। মানুষ এমন কোন মাখলুকের বিধান মেনে নিতে পারেনা যে অবিবেচক, যালিম, অজ্ঞ। বিভিন্ন সন্দেহ-সংশয় সুভাষ যাকে দলিত-মথিত করেছে। যার হৃদয়কে উদাসীনতা অন্ধকারাচ্ছন্ন করে নিয়েছে।

সুতরাং জ্ঞানীদের জন্য উচিত এ থেকে (আল্লাহর আইন ব্যাতীত অন্য আইনের শাসন) নিজেদের বাচিয়ে রাখা, কারন কুফরের পাশাপাশি এ তাদেরকে দাসত্বে আবদ্ধ করে এবং প্রবৃত্তির খেয়ালখুশি, স্বার্থ, ভুল আর ত্রুটির অনুযায়ী শাসিত হতে বাধ্য করে। কারণ আল্লাহ তাআলা বলেছেন,

ومَنْ لَمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللهُ فَأُولئِكَ هُمُ الكافِرون

যারা আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান দ্বারা ফয়সালা করে না তারাই কাফের”। (সূরা মায়েদা: ৪৪)

পিডিএফ ডাউনলোড লিঙ্ক –

ডাউনলোড লিঙ্ক ১

ডাইনলোড লিঙ্ক ২

ডাউনলোড লিঙ্ক ৩ 

(ডাউনলোড না করেও এই লিঙ্ক থেকে পড়া যাবে)

 

গণতন্ত্রের মাধ্যমে কি ইসলামী বিপ্লব সম্ভব?

‘বিষয়টি খুবই গুরুত্বর্পূণ, এবং এ ব্যাপারে যথেষ্ট চিন্তা ও গবেষনার প্রয়োজন। এখানে যে বক্তব্যটি পেশ করছি তা মূলত জামায়াতে ইসলামীর সাথে ভালোভাবে যুক্ত দু’জন বিজ্ঞ ব্যক্তির মধ্যকার আলোচনা। তাঁরা জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কেই আলোচনা করেছেন। কিন্তু আমরা মনে করি যে, এি আলোচনাটির পরিধি ব্যাপক। এ বিষয়টি পাকিস্তানের সকল ইসলামী দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ; বরং এক দৃষ্টিকোণ থেকে গোটা পৃথিবীর ইসলামী দলসমূহের সাথেই বিষয়টি জড়িত। তুরস্কে রয়েছে একটি ইসলামী শক্তিশালী দল, তিউনিসিয়ায় ইসলামী একটি দল আধিক্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে, এ দিকে মিসরসহ অন্যান্য জায়গায় ইসলামী আন্দোলনের চেষ্ট চলছে। খোদ পাকিস্তানের এক অংশে ইসলামী দলগুলো বেশ শক্তি অর্জন করে ফেলেছে। এজন্য এ প্রশ্নের উপর যথেষ্ট চিন্তা-ভাবনার প্রয়োজন যে, পশ্চিমা গণতন্ত্রের মাধ্যমে (বাহ্যিক কিছু পরিবর্তন এনে ‘ইসলামী গণতন্ত্র’ নাম দিয়ে) কি ইসলামী বিপ্লব (অথবা ইসলামের বিজয়, শরিয়ত প্রতিষ্ঠা, নেযামে মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইত্যাদি) অর্জন করা সম্ভব? এ বিষয়ে আপনিও একটি মন্তব্য বলুন; আমরা ইনশাআল্লাহ ‘আল-বুরহান’-এর আগামী সংখ্যায় এ বিষয়ে আলোচনা করব।’ –  ড.মুহাম্মদ আমিন

Continue reading

আল্লাহ্ ওদের দৃষ্টিতে তোমাদের অল্পসংখ্যক করে দেখালেন

বুদ্ধিমান সেই যে তাঁর দুর্বলতা ঢেকে রাখে, যে সবর করতে জানে যখন তার লোকবল বা সাজ সরঞ্জামে ঘাটতি থাকে। নিঃশব্দে যে শত্রুর দূর্বলতা পর্যবেক্ষণ করে এবং সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা গ্রহন করে যাতে তার পরিকল্পনাগুলো সুরক্ষিত ও নিরাপদ থাকে এবং এতে সে শত্রুর জন্য মোক্ষম সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে পারে। অপরিপক্ব উত্তেজনা ও হুমকি কেবল শত্রুকে নিজের পরিকল্পনা সম্পর্কে সতর্কই করে দেয়, যা তার শত্রুকে প্রস্তুতি গ্রহনের সুযোগ করে দেয়। এর ফলে মুসলিমদের অবস্থা দাঁড়ায় ওই ব্যক্তির মত, যে সময় হবার আগেই তীর চালনা করে কিংবা তীর চালনার আগেই তার শিকারকে সতর্ক করে দেয়।

Continue reading

শরীয়তের সুস্পষ্ট বিধাণের বিরোধিতা বা প্রত্যাখ্যান করা দলের ব্যাপারে হুকুম

শাইখ নাসির আল-ফাহাদ (ফাক্কাল্লাহু আসরাহ) এর কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল –

যারা বলে তাইফাহ মুমতানি’য়াহ ব্যাপারে দুটি মত আছে, তাদের জবাবে কী বলা উচিৎ? আর শাইখুল ইসলাম (ইবনু তাইমিয়া) এ ব্যাপারে যে ইজমার কথা বলছেন – এটা যে  অস্বীকার করে এবং বলে, “আমি ইজমা থাকার ব্যাপারে দাবিটি খতিয়ে দেখলাম কিন্তু এমন কিছু খুঁজে পেলাম না” – তাদের ক্ষেত্রে জবাব কী হবে? তাছাড়া এটা কিভাবে সম্ভব যে তাইফাতুল মুমতানি’য়াহর ব্যাপারে সাহাবীদের রা. মধ্যে ইজমা থাকার পরও পরবর্তীতে ফকিহগণ এ ইজমার সাথে ভিন্নমত পোষণ করলেন? এবং তাইফা মুমতানি’য়াহর কুফরের ব্যাপারে ভিন্নমত পোষণ করলেন?

Continue reading

দরবারী আলিমদের মতে তাকফির

আশ-শাইখ আল্লামা নাসির ইবনু হামাদ আল-ফাহাদ ফাক্কাল্লাহু আসরাহ বলেনঃ

শুনে রাখুন আমার মুসলিম ভাইয়েরা, অধিকাংশ আলিমরা দুঃখজনকভাবে তাকফিরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে মূলনীতি এতোদিন জানতেন না, তা হল যে ব্যক্তি এমন কোন কাজ করে যা তাকে ইসলামের গণ্ডী থেকে বের করে দেয় – সে কখনো শাসকদের একজন হতে পারে না। কারণ শাসকরা যে কুফর বা শিরকই করুক না কেন, তাদের তাকফির করা হলে আকাশ ভেঙ্গে পড়া এবং পর্বতমালা ধ্বসে পড়ার মতো অবস্থা হবে।

Continue reading

গণতন্ত্র ও সংসদে অংশগ্রহণের ব্যাপারে হুকুম – শায়খ নাসির আল ফাহদ

শাইখ নাসির ইব্‌ন হামদ আল-ফাহাদ (ফাক্কাল্লাহু আশরাহ) -কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল গণতন্ত্রের অর্থ কী? শূরা এবং গণতন্ত্রের মধ্যে পার্থক্য কী? এবং সংসদে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কী হুকুম?

শাইখ (ফাক্কাল্লাহু আশরাহ) -এর জবাব: গণতন্ত্র হল জনগণের শাসন। যার অর্থ হল আইন প্রণয়ন এবং হালাল-হারাম নির্ধারণের অধিকার জনগণের। ইসা (আ) -এর জন্মের আগে প্রাচীন গ্রীসে এর অস্তিত্ব ছিল। ইংরেজ এবং ফরাসী বিপ্লবের সময় থেকে এ ধারণা আরো বিকশিত হতে হতে আজকের অবস্থায় পৌছেছে। Continue reading

৯/১১ হামলার ব্যাপারে শাইখ নাসির আল-ফাহদের ফতোয়া

আস সালামু আলাইকুম, আপনার উপর আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক

সম্মানিত শায়খ, ভিসা কি শার’ঈ আমান (নিরাপত্তা চুক্তি) হিসেবে গণ্য হবে? যদি ভিসা শার’ঈ আমান হিসেবে গণ্য হয় তাহলে যেসব মুজাহিদীন অ্যামেরিকার টুইন টাওয়ারে হামলা চালিয়েছেন তারা কি শার’ই চুক্তি ভঙ্গকারী হিসেবে গণ্য হবেন?

Continue reading

আল্লাহর পথে ৮ টি বাঁধা – শায়খ ইউসুফ আল উয়াইরি রহঃ

কোন জিনিসগুলো আল্লাহর রাস্তা থেকে মানুষকে আটকে রাখে? কীভাবে দুনিয়া মানুষকে বিভ্রান্ত করে? পড়ুন শায়খ ইউসুফ আল উয়াইরির রহঃ অনবদ্য রচনা…

 

ডাউনলোড

ডাউনলোড

আহলুল কিবলা ও তাবীলকারীরা – শায়খ আবু কাতাদা আল ফিলিস্তিনি হাফিযাহুল্লাহ

ডাউনলোড লিংক ১

ডাউনলোড লিংক ২

ডাউনলোড লিংক ৩

 

লেখা ও লেখকের জিম্মাদারি

(প্রায় ত্রিশ বছর আগের এ লেখাটি আজো প্রাসঙ্গিক। প্রকৃতপক্ষে গভীর অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে যে সত্য দৃষ্টিগোচর হয়, শব্দের গাঁথুনিতে তার  প্রকাশ যুগে যুগে প্রাসঙ্গিক রয়ে যায়। ইউনুস খালিস রহঃ যে কলম ও লেখকদের কথা বলেছেন তারা আজো আছে, কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে কিন্তু সেই পুরনো বিষ আকড়ে ধরে। তাওহিদের পথের পথিকরা ইনশা আল্লাহ এ লেখা থেকে উপকৃত হবেন।)

Continue reading

মিথ্যে গণতন্ত্র

ডাউনলোড করুন –

লিঙ্ক ১

লিঙ্ক ২

লিঙ্ক ৩

 

যদিও ইরাক আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আমেরিকা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সাথে আলোচনা করেনি, এবং সাধারন পরিষদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেনি, তবুও বাস্তবতা হল জাতিসংঘের সাধারন পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদ দুটোই আমেরিকার পরিকল্পন অনুযায়ীই ১৯৪৫ সালে স্থাপিত হয়েছিল। এ গণতন্ত্রকে ঘিরে একটি মিথ্যার পুনরাবৃত্তি করা হয় আর তা হল, মুসলিম উম্মাহ ও দেশগুলোতে গণতন্ত্রের অনুপস্থিতিই হল মুসলিম উম্মাহর তীব্র সমস্যার কারণ।

Continue reading

আত-তাওকিদ – শায়খ সুলাইমান আল উলওয়ান

তাওহিদ ও তাওহিদের সঠিক দাওয়াত নিয়ে শায়খ আল-আল্লামা সুলাইমান বিন নাসির আল-উলওয়ানের অনবদ্য একটি রচনা হল আত-তাওকিদ। সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর অর্থবোধক এ লেখাটি ইন শা আল্লাহ সকল মনযোগী পাঠকের জন্য অত্যন্ত উপকারী হবে।

 

 

ডাউনলোড লিংক ১ – http://pc.cd/IqJ

ডাউনলোড লিংক ২ – http://bit.ly/2D1dAMd

ডাউনলোড লিংক ৩ – http://bit.ly/2oNTUIL

শায়খ আবু কাতাদার সংক্ষিপ্ত জীবনী

শায়খ আবু কাতাদা ওমর মাহমুদ ওসমান হাফিযাহুল্লাহ একজন ফিলিস্তিনী বংশোদ্ভুত এক জর্ডান প্রবাসী আলেম। দাওয়াতি তৎপরতার কারণে পৃথিবীর অনেক দেশে তাঁকে শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলে তলব করা হয়েছে। পরবর্তীতে জর্দানের ছোট্ট রাষ্ট্রে তার বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ জারি করা হয়েছে। তিনি বৃটেনেও কারাভোগ করেছেন।

Continue reading

আল্লাহর শরীয়াহ পরিবর্তনকারী শাসকদের ব্যাপারে শরয়ী বিধান – শাইখ আবু কাতাদা আল-ফিলিস্তিনি

আল্লাহ  তাআলার শরিয়ত পরিবর্তনকারী শাসকদের শরয়ী’ হুকুম জানা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ওয়াজিব। এই বিষয়টাকে অপ্রাসঙ্গিক জ্ঞান করে এড়িয়ে যাবার কোন সুযোগ নাই।

কারণ, কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও মারত্মক পর্যায়ের সমস্যা এই বিধানকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। সেগুলোর অন্যতম হল, এই জাতীয় শাসকদের থেকে সম্পর্ক ছিন্ন  করা, তাদের আনুগত্যে পা না দেয়া, তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ওয়াজিব হওয়া

এই প্রত্যেকটি মাসআলাই এমন যে, এর উপর পূর্ববর্তী সকল আহলে ইলম একমত পোষণ করেছেন

Continue reading

আল্লাহর শরীয়াহ পরিবর্তনকারী শাসকদের ব্যাপারে শরয়ী বিধান – শাইখ আবু কাতাদা আল-ফিলিস্তিনি

আল্লাহ  তাআলার শরিয়ত পরিবর্তনকারী শাসকদের শরয়ী’ হুকুম জানা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ওয়াজিব। এই বিষয়টাকে অপ্রাসঙ্গিক জ্ঞান করে এড়িয়ে যাবার কোন সুযোগ নাই।

কারণ, কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও মারত্মক পর্যায়ের সমস্যা এই বিধানকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। সেগুলোর অন্যতম হল, এই জাতীয় শাসকদের থেকে সম্পর্ক ছিন্ন  করা, তাদের আনুগত্যে পা না দেয়া, তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ওয়াজিব হওয়া

এই প্রত্যেকটি মাসআলাই এমন যে, এর উপর পূর্ববর্তী সকল আহলে ইলম একমত পোষণ করেছেন

Continue reading

কুতুব ও কারদাবি – ড. তারিক আব্দুল হালিম

সাইয়্যিদ কুতুব রহঃ ও ইউসুফ আল-কারদাবি। ইখওয়ানুল মুসলিমীন এবং জামায়াতে ইসলামীর চিন্তাধারার সাথে এ দুটো নাম যুক্ত।

কিন্তু এ দুজনের চিন্তা কি সামঞ্জস্যপূর্ণ? দু’জনের চিন্তা কি মৌলিকভাবে এক, নাকি গুরুতর পার্থক্য বিদ্যমান? ইখওয়ান এবং জামাত কি সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তার অনুসরণ করে? নাকি কারদাবির?

বস্তুত সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তাকে ইখওয়ান-জামাতের সাথে ব্যপকভাবে যুক্ত করা হলেও বর্তমানে এ দুটী দল কোন ভাবেই সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তার অনুসরণ করে না। বরং তাদের ঘোষিত অবস্থান অনুযায়ী সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তা ‘তাকফিরি” এবং “চরমপন্থী”। অন্যদিকে সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তা অনুযায়ী বিচার করলে ইখওয়ান ও জামাত ব্যাপকভাবে জাহেলিয়্যাতের মধ্যে নিমজ্জিত।

Continue reading

এক মহীরুহঃ শায়খ ইউসুফ আল উয়াইরির রহঃ জীবনি

কিছু মানুষ অন্যদের জন্য রোলমডেলে পরিণত হন। কিছু মানুষের জীবন অন্যদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যোগায়। আর কিছু মানুষ এমন থাকেন যে তাদের জীবনটাই অন্যদের জন্য দাওয়াতে পরিণত হয়। আজ এমন এক জীবনের গল্প তুলে ধরবো আপনাদের সামনে। মাত্র একত্রিশ বছরের জীবনে ছুটে বেড়িয়েছেন নানা দেশে, নানা ময়দানে। যুদ্ধ করেছেন দুই সুপার পাওয়ারের বিরুদ্ধে। সামরিক ময়দানে এবং মনস্তাত্ত্বিক তথা বুদ্ধিবৃত্তিক ময়দানে। পাশ করেছেন ইউসুফের আলাইহিস সালাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। নিজের সর্বস্ব উজার করে দিয়েছেন তাওহিদের দাওয়াহ ও তাওহিদ প্রতিষ্ঠান জন্য। নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন ‘ইলমের সন্ধানে। তুচ্ছ করেছেন নিজের জীবনকে, তাওহিদ ওয়াল হাদিদের সম্মানিত পথে ব্যয় করেছেন সবকিছু। আলিম, মুজাহিদ, মুফাক্কির। রণকৌশলবিদ, মিডিয়া মাস্টারমাইন্ড, দা’ঈ ইলাল্লাহ শায়খ ইউসুফ বিন সালিহ বিন ফাহদ আল-উয়ায়রি, রাহিমাহুল্লাহ।

এক মহীরুহ!

Continue reading

শায়খ নাসির আল-ফাহাদের জীবনি

শায়খ নাসির আল-ফাহাদের জীবনি। আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা’আলা তার মুক্তি ত্বরান্বিত করুন

তার নাম, বংশপরিচয় ও বাসস্থানঃ

তার নাম নাসির ইবনে হামাদ ইবন হুমাইয়্যিন ইবনে হামাদ ইবন ফাহাদ। তিনি জন্মেছেন আল-আসা’ইদা আল-রাওয়াকিয়া গোত্রে। তার পূর্বপুরুষ ছিলেন বনি সাদ ইবনে বাকর, যারা শৈশবে রাসুল (সাঃ) কে লালন পালন করেছিলেন। বর্তমানে তারা উতাইবাহ নামে পরিচিত। তার মায়ের নাম নুরা আল গাজী। তিনি জন্মসূত্রে আল দাওয়াসীর গোত্রের। শায়খ নাসিরের পারিবারিক বাসস্থান ছিলো আল-সুয়াইরে যেটি “আল-যুলফি” নামক গ্রামে অবস্থিত।। শায়খ আল-আল্লামাহ মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহীমের(রাহিমাহুল্লাহ) সাথে কাজ করার জন্য শায়খ নাসিরের পিতা শেখ হামাদ ইবনে হুমাইয়্যিন রিয়াদে গিয়েছিলেন। তার সাথে তিনি ১৮ বছর অতিবাহিত করেন এবং রিয়াদেই মৃত্যুবরণ করেন।

Continue reading